পদত্যাগপত্র লিখে হস্তান্তর না করলে অথবা প্রকাশ্যে পদত্যাগের ঘোষণা না দিলে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য ভবন থেকে বের হতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের এক দফা দাবি হল, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করা। এ দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমকে অবরুদ্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে উপাচার্য ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরাসরি এই শর্ত ও আল্টিমেটাম প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী গোলাম মোর্শেদ রাতুল।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আমাদের প্রস্তাব স্পষ্ট— শরীফুল আলম যদি এই মুহূর্তেই তার পদত্যাগপত্র নিজ হাতে লিখে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেন অথবা সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে পদত্যাগের ঘোষণা দেন, তবে আমরা এখনই ভবনের তালা খুলে তাকে ও তার অনুসারীদের নিরাপদে ক্যাম্পাস ত্যাগ করার সুযোগ দেব।’
শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে দেন, তারা কোনো সংঘাত কিংবা মানবাধিকার লঙ্ঘনের পক্ষে নন। কাউকে অহেতুক কষ্ট দেওয়াও তাদের উদ্দেশ্য নয়। গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে এই নিরাপদ প্রস্থান বা এক্সিট অপশন দেওয়ার কারণ উল্লেখ করে তারা বলেন, পরবর্তীতে যেন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো মিথ্যা অপপ্রচার চালানো না যায়, সেজন্যই এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
তবে উপাচার্য যদি পদত্যাগের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তবে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় তার ওপরই বর্তাবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
১৮ দিন পর তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে নতুন উপাচার্য
চুয়েটের নতুন ভিসিকে শিক্ষকদের প্রত্যাখ্যান, সর্বাত্মক অসহযোগ