বিশ্ব ডিম দিবস

বাকৃবিতে শ্রমজীবীদের মধ্যে ডিম বিতরণ

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ এএম

সুস্থ জীবনের জন্য প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার। আর স্বল্প খরচে উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম উৎস ডিম। পুষ্টির এই গুরুত্বপূর্ণ উৎস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ডিম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদ।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘প্রোটিন দ্যাট পাওয়ার্স অ্যান্ড প্রোটেক্টস’। বাংলায় যার অর্থ ‘যে প্রোটিন শক্তি জোগায় ও সুরক্ষা দেয়’। প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মেডিসিন বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ডিমের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর ভূমিকা এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিমের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ ভবন ৩-এর সামনে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভেটেরিনারি অনুষদের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। এতে অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। র‌্যালি শেষে অনুষদের ফটকসংলগ্ন একটি স্টল থেকে শিক্ষার্থী, পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার ডিম।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক। স্বাগত বক্তব্য দেন ভেটেরিনারি অনুষদ ও স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান।

সেমিনারে অধ্যাপক ড. বাহানুর রহমান বলেন, ‘ডিমে পুষ্টি, ডিমে শক্তি, ডিমে রোগমুক্তি। বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ছয় কোটি থেকে সাত কোটি ডিম উৎপাদিত হচ্ছে। এই ডিম দেশের সাধারণ মানুষ খেতে পারছেন। ডিমের অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে উচ্চমানের বিশুদ্ধ প্রোটিন পাওয়া যায়, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।’

উল্লেখ্য, প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্বজুড়ে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়। ডিমের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে এর ভূমিকা এবং খাদ্যনিরাপত্তায় এর গুরুত্ব তুলে ধরতে ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ বছর বিশ্ব ডিম দিবসের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত