বিকল্প পথে যাত্রী নেবে সৌদি এয়ারলাইনস

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ এএম

বাংলাদেশে আটকেপড়া যাত্রীদের ঢাকা-দাম্মাম রুটে বিকল্প পথে সৌদি আরবে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা সৌদিয়া এয়ারলাইনস। আজ মঙ্গলবার থেকে যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যে নেওয়া শুরু হবে। সৌদি-আরবে পৌঁছানোর পর যাত্রীরা সড়কপথে নিজ নিজ কর্মস্থলে যেতে পারবেন।

এদিকে গতকাল সোমবারও প্রবাসীদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাটছেই না। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৫১টি ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় ফ্লাইট চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। এতে হাজারো যাত্রী আটকে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিকল্প পথে পরিবহনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌদি এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে যাত্রীরা সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে নিজ নিজ কর্মস্থলে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তারা। ফলে নির্ধারিত ফ্লাইটে সৌদি আরবে যেতে না পারা যাত্রীদের আবারও যাত্রা শুরু করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে কর্মস্থলে ফেরার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই উদ্যোগ স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে। বিকল্প পথে যাত্রী পরিবহনের ফলে তাদের সৌদি আরবে পৌঁছানো এবং সেখান থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথ সুগম হবে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক সপ্তাহে চতুর্থ দফা হামলা চালিয়েছে হুতিরা। সবশেষ গত রবিবারের হামলায় একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ রিয়াদের দুটি বিমানবন্দরে গতকাল সোমবার ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (জিএসিএ) কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার সময়সীমা আরও বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। হুতিদের একের পর এক হামলার ঘটনায় বিশ্বের কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের সে দেশে ভ্রমণের বিষয়ে সতর্ক করেছে। চলমান এই সংঘাত নিয়ে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এক টেলিগ্রাম বার্তায় আরাগচি বলেন, রাজনৈতিক সমাধানকে উপেক্ষা করে সামরিক পদ্ধতির ওপর জোর দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।

চলমান সংঘাতের মধ্যে গত পাঁচ দিনে চতুর্থ দফা হামলার শিকার হয়েছে কিং খালিদ বিমানবন্দর। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে গত শনিবার। ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১৪ জন নিহত ও তিন শতাধিক আহত হয়েছেন। সব হামলা মিলে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭। সবশেষ হামলায় বিমানবন্দরটির এক অবকাঠামোয় অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। ইয়েমেনে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে যে, রবিবার ছোড়া প্রজেক্টাইলের লক্ষ্য ছিল বিমানবন্দরের ৪ নম্বর টার্মিনাল। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানানো হয়নি। বিমানবন্দর ক্ষতি নিরুপণে ফ্লাইট স্থগিত রাখার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা নিরাপদ আছে কি না, তা পুরোপুরি পরীক্ষা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আবার উড়োজাহাজ চলাচল শুরুর জন্য বিমানবন্দর কতটা প্রস্তুত, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে এ পরীক্ষা চলছে। তবে বিমানবন্দর কবে আবার চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানায়নি জিএসিএ।

সংঘাতময় এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সতর্কবার্তার পর গতকাল সোমবার অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডও সৌদি আরব ভ্রমণের ব্যাপারে তাদের নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ জানিয়েছে, অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এড়িয়ে চলা উচিত। এ ছাড়া সৌদি আরবের অন্যান্য বিমানবন্দরে ভ্রমণের বিষয়টি ‘পুনর্বিবেচনা’ করা উচিত। নিউজিল্যান্ড তাদের নাগরিকদের কোনো অবস্থাতেই সৌদি আরবের রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দর এবং নাজরান, জাজান ও আসির প্রদেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে ‘জরুরি প্রয়োজন ছাড়া’ সৌদি আরবে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রবিবার ইরান ও সশস্ত্রগোষ্ঠী হুতিদের হামলার হুমকির কথা উল্লেখ করে নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছে। কানাডা ও দক্ষিণ কোরিয়াও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে।

এদিকে রিয়াদ বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলার পর সৌদি আরব ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফোনালাপ করেছেন। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের সংকটগুলোর কোনো সামরিক সমাধান নেই। তিনি যোগ করেন, কেবল ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতার ওপর ভিত্তি করে আলোচনাই এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরাগচি বলেন, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে সংলাপ শুরু করতে এবং একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে সহায়তা করতে ইরান প্রয়োজনীয় যেকোনো সাহায্য দিতে প্রস্তুত। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইরান তার উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের এ অঞ্চলের সমস্যা সমাধানের জন্য বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর না করে ইয়েমেন এবং অন্যান্য স্থানের নিরাপত্তার বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ায় পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে।

ইয়েমেন সেনাবাহিনী ও হুতিদের তীব্র লড়াই : ইয়েমেনের বিভিন্ন রণাঙ্গনে সৌদি আরব সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ও হুতিদের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এর মধ্যেই দেশটির সানা ও তাইজে বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইয়েমেনের হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন সংবাদ সংস্থা সাবা জানিয়েছে, সানার হামদান এলাকায় এবং তাইজের হাইফান এলাকার আল-জুরবি সড়কে বিমান হামলা হয়েছে। আলজাজিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী তাইজ শহরের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হুতিদের অবস্থান ও সেনাসমাবেশ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। আল কাসর রণাঙ্গনে তিনটি বিমান হামলা হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উসাইফিরাহ এলাকাতেও হামলা চালানো হয়েছে। তাইজ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ আশপাশের বিভিন্ন রণাঙ্গনে লড়াই অব্যাহত রয়েছে।

তবে ইয়েমেনে সৌদি আরবের সামরিক হামলা ও অভিযান অব্যাহত থাকলে তার জবাবে আরও বড় ধরনের সামরিক আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গোষ্ঠীটির নিয়ন্ত্রিত আল মাসিরাহ টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয় সৌদি শত্রু যদি ইয়েমেনে তাদের আগ্রাসন ও হস্তক্ষেপ বন্ধ না করে, তবে সৃষ্টিকর্তা চাইলে সামনে আরও অনেক খারাপ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। হুতিরা দাবি করেছে, তাদের এই পদক্ষেপগুলো মূলত সৌদি আরবের হামলার পাল্টা জবাব বা ‘পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের বেসামরিক আকাশসীমা ও বিমানবন্দর এড়িয়ে চলার যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতিতেও সেই একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি

৫১টি ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা : গতকাল রাত পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদ, দাম্মাম ও জেদ্দাগামী ৫১টি ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শাহজালালের নিরাপত্তা ও ফ্লাইট ব্যবস্থপনার দায়িত্বে থাকা স্কোয়াড্রন লিডার সাকিব জানান, শনিবার থেকে আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই তিন রুটে বিভিন্ন এয়ারলাইনস ৫১টি ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এসব ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে এয়ারলাইনসগুলো। এর মধ্যে তারা আরও ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করলে তখনই তা জানানো হবে। ইতিমধ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর পাঁচ হাজার ৪১৮ জন যাত্রী বাংলাদেশে আটকা পড়েছেন।’ বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চারটি, ইউএস-বাংলার দুটি এবং রিয়াদ এয়ার ও সৌদিয়ার তিনটি করে ফ্লাইট। এ ছাড়া ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এরমধ্যে ইনডিগোর ১৬টি, সালাম এয়ারের ৩টি, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি, এমিরেটসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। ওই হামলার পর রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্যক্রম স্থগিত রাখার মেয়াদ বাড়িয়েছে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিমানবন্দরের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ও সেগুলো পরিচালনার প্রস্তুতি যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখার মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় প্রবাসীরা : গতকালও বিমানবন্দরে প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। সৌদি-আরবগামী যাত্রী ফরিদ হোসেন জানান, অনেক ভয় কাজ করছে। ভিসার মেয়াদ শেষ হবে ১৬ অক্টোবর। ফ্লাইট বাতিল হলে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারব না। আমার কোম্পানির পরিচালক দেশের বাইরে। তাকে ছাড়া ভিসার মেয়াদ বাড়ানো সম্ভব নয়। এ কারণে বেশি টেনশন হচ্ছে। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে রিয়াদ যাওয়ার কথা ছিল তার। ফরিদ আরও বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ’। যেতে না পারলে অনেক বেশি সমস্যায় পড়ব। ফ্লাইট বাতিলের খবর আগে জানানো হয়নি। গতকাল ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ভোগান্তির যেন শেষ নেই।’ রিয়াদগামী ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এমন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন কয়েক হাজার যাত্রী। কেউ একবার বিমানবন্দরে এসে ফিরে গেছেন, কেউ আবার নতুন করে ফ্লাইটের সময় নির্ধারণ করতে গিয়ে ছুটছেন এয়ারলাইনসের অফিসে। নির্দিষ্ট সময়ে ফ্লাইট ছাড়বে কিনা, তা নিশ্চিত না হওয়ায় অনেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন। এতে বাড়ছে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার খরচও। কিশোরগঞ্জ থেকে আসা আরেক সৌদিগামী যাত্রী বলেন, ‘এয়ারলাইনস থেকে ফোন করে জানিয়েছে, ফ্লাইট বন্ধ। কেন বন্ধ, তা জানি না। যুদ্ধ বা অন্য কোনো কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকতে পারে। এ নিয়ে টেনশনে আছি। আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ, অনেক টাকা খরচ করে বিদেশ যাচ্ছি। এভাবে ভোগান্তি হলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত যেতে পারব কিনা, জানি না।’

যাত্রীদের অভিযোগ, ফ্লাইট বাতিলের খবর অনেক ক্ষেত্রে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর জানতে পারছেন তারা। আগে থেকে জানানো হলে বাড়ি থেকে রওয়ানা হতেন না। একবার পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বিমানবন্দরে এসে আবার বাড়ি ফিরে যাওয়া মানসিকভাবেও কষ্টকর। তার ওপর নতুন ফ্লাইটের সময় নির্দিষ্ট না হওয়ায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কারও কারও অতিরিক্ত খরচ করে হোটেলে থাকতে হচ্ছে। অনেক যাত্রীর ছুটি শেষ হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে কাজে যোগ দিতে না পারলে চাকরি ও আয় নিয়ে জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত