অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুন করে পুলিশে ফোন

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৯ এএম

গাজীপুরের শ্রীপুরে সাংসারিক কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে ঘাতক স্বামী নিজেই পুলিশকে জানিয়েছে। খুনের পর জাতীয় জরুরি সেবা নস্বর ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশে খবর দেয় খুনি স্বামী নিজেই। গত রবিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড়চলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে স্বামীকে গ্রেপ্তার করে এবং লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত নারী সীমা রানী দাস (২৩)। তার বাড়ি দিনাজপুরে।

তার স্বামীর নাম উদ্ভব কুমার দাস। সে একই গ্রামের নকুল কুমার দাসের ছেলে। পরিবার বলছে উদ্ভব দাস মাদকাসক্ত ছিল। সে প্রায় সময় স্ত্রীকে মারধর করত। খবর পেয়ে রাতেই ওসি এসপি ঘটনাস্থল পরিদশর্ন করেন।

স্থানীয়রা জানান, রাতে পুলিশ এলে বিষয়টি সবার মধ্যে জানাজানি হয়। সীমা রানীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করা হয়। পরর উদ্ভব নিজেই থানায় ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে খবর দেয়। পুলিশ এসে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। নিহতের স্বজন সুবল দাস জানান, সীমা রানী ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। চলতি মাসের শেষের দিকে সন্তান হওয়ার প্রাথমিক তারিখ জানানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, উদ্ভব দাস মাদকাসক্ত। সে স্ত্রী সীমাকে খুব মারধর করত। এবার মেরেই ফেলল। শ্রীপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশে জানায় স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি। পরে পুলিশ নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত