পাখির কাছে অসহায় বেবিচক!

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ এএম

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের সব বিমানবন্দরের রানওয়ে ও উড়োজাহাজের উড্ডয়ন পথে পাখি নিয়ে বেশ বেকায়দায় পড়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বা গুরুত্বপূর্ণ অংশের সঙ্গে পাখির সংঘর্ষ হলে ফ্লাইট বিলম্বসহ জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়। উড়োজাহাজের ক্ষতি ও অতিরিক্ত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় তো আছেই।

বিমানবন্দর এলাকায় পাখির উপদ্রব ও বার্ড স্ট্রাইক নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামনে শীতকাল। এয়ার নেভিগেশন তথ্যানুযায়ী, বিমানবন্দর ও আশপাশে শীতকালে পাখির আনাগোনা বেশ বেড়ে যায়। পাখিবিষয়ক দুর্ঘটনা এ সময়ে বেশি ঘটে। এ নিয়ে বেশি চিন্তিত কর্তৃপক্ষ।

বিমানসংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানান, বিমানবন্দরে পাখির সঙ্গে উড়োজাহাজের সংঘর্ষ ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। অ্যাভিয়ান রাডার, ইনফ্রারেড ও ইলেকট্রো-অপটিক্যাল সেন্সর, লেজার, শব্দভিত্তিক ডিটারেন্ট ও স্বয়ংক্রিয় নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাডারের মাধ্যমে বিমানবন্দরের আশপাশে পাখির অবস্থান, উচ্চতা ও গতিপথ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক হওয়া যাচ্ছে। কোথাও লেজার আলো, কোথাও পাখির জন্য বিপদ সংকেত বা নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহার করে পাখি সরানো হচ্ছে। পাশাপাশি পাখি আকৃষ্ট হয় এমন খাবার, পানি ও আবাসস্থল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে এসবের বালায় নেই। নেই পাখি নিয়ন্ত্রণে রাখার যন্ত্রপাতি। কেবল আছে কিছু বহু পুরনো বার্ড শুটার। তাও আবার নেই গুলি, বন্দুক ও প্রশিক্ষিত জনবল। এ নিয়ে বেশ চিন্তিত বেবিচকের কর্তাব্যক্তিরা।

প্রতি বছর বেবিচকের পরিকল্পনায় আধুনিক ব্যবস্থার বাজেট বরাদ্দ থাকলেও কাজের কাজ হচ্ছে না কিছুই। রহস্যজনক কারণে কেনা হচ্ছে না অস্ত্র। কোন খাতে অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তাও জানেন না খোদ কর্মকর্তারাই। দেশের আটটি বিমানবন্দরেই বিরাজ করছে একই অবস্থা।

সম্প্রতি সংস্থাটিতে বার্ড শুটার ও অস্ত্র কেনা নিয়ে বিশেষ বৈঠক অনুুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেবিচকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, শীতকাল নিয়েই আমরা বেশি দুশ্চিন্তায় আছি। তা ছাড়া পাখি আতঙ্ক থাকতে হচ্ছে সবসময়। নতুন অস্ত্র ও লাইসেন্সের জন্য চলছে দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই পাখি তাড়াতে গিয়ে কিছু দিন আগে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে রুবেল বাউরি নামে এক ক্লিনার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কক্সবাজার, বরিশাল, সৈয়দপুর, যশোর ও শাহ মখদুমে বার্ডশুটিয়ের জন্য ব্যবহৃত বন্দুকের বর্তমান অবস্থা জানতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই চিঠিতে বিমানবন্দরগুলোর বার্ডশুটিংয়ের জন্য জনবল, সচল ও অচল বন্দুকের সংখ্যা এবং বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নের সর্বশেষ তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। 

রহস্যজনক কারণে কেনা হয়নি অস্ত্র : ‘পাখি তাড়ানোর সরঞ্জাম কেনার বাজেট নেই’, বাজেট ও ক্রয়-প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের এমন বক্তব্য রহস্যজনক মনে করছেন অনেকেই। বেবিচকের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনায় শাহজালাল, শাহ আমানত, ওসমানী, কক্সবাজার ও  সৈয়দপুরসহ বিভিন্ন বিমানবন্দরের জন্য পৃথক ক্রয় পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু শুধু ক্রয় পরিকল্পনার তালিকা থেকে কোথায় পাখি তাড়ানোর সরঞ্জাম আছে বা নেই, কিংবা কোথায় ঘাটতি রয়েছে এমন বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

বেবিচকের নিজস্ব নির্দেশিকায় বিমানবন্দরের বন্যপ্রাণী ও পাখিজনিত ঝুঁকি কমাতে সমন্বিত কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে। এতে পাখির আনাগোনা পর্যবেক্ষণ, রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ে পরিষ্কার রাখা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্কবার্তা এবং বিমানবন্দরের দায়িত্ব বণ্টনের মতো বিষয় উল্লেখ রয়েছে।

কর্মকর্তারা মনে করেন, পাখির ঝুঁকি মোকাবিলায় শুধু যন্ত্র বা সরঞ্জামের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, পাখির আনাগোনার তথ্য বিশ্লেষণ, বিমানবন্দরের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং উড়োজাহাজের পাইলটদের সময়মতো সতর্ক করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিমানবন্দরের আশপাশে যেখানে বর্জ্য ফেলা হয় বা পাখির খাবারের উৎস রয়েছে, সেখানে বিশেষভাবে নজরদারি করতে বলা হয়েছে।

৬৭ প্রজাতি পাখির বিচরণ শাহজালালে : বছর দেড়েক আগে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ঢাকায় ১১৫ থেকে ১২০ প্রজাতির পাখি বিচরণ করে। এর মধ্যে ৬৬ থেকে ৬৭ প্রজাতি বিচরণ করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায়। এতে উড়োজাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

বিমানবন্দরের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ১২৯টি স্থান পরিদর্শন করে গবেষণাটি চালানো হয়। পরিদর্শনে ওই এলাকায় ৩ হাজার ৮৮৬টি হোটেল-রেস্টুরেন্ট পাওয়া গেছে, যার ২২ শতাংশ অস্থায়ী। ৭৫৩টি কাঁচাবাজার, ৬৬৩টি কসাইখানা ও ১ হাজার ৩৩৫টি বর্জ্য অপসারণ কেন্দ্র রয়েছে। আছে অনেক গাছপালা, বিল, জলাধার, খাল, নদীও। সামগ্রিকভাবে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট পরিবেশ-প্রতিবেশের কারণে এলাকাটি চিল, কাকসহ বিভিন্ন ধরনের পাখির বিচরণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বার্ড স্ট্রাইকের ঝুঁকি অনেক বেশি। অন্যান্য দেশে যেখানে ঝুঁকির হার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে এই হার ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

শীতে সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক : বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় মৌসুমি ঝুঁকি মোকাবিলা করতে গিয়ে শীত শুরুর পরপরই আতঙ্ক তৈরি হয়। এ সময়ে পাখির আনাগোনা বেশ বেড়ে যায়। তবে তা প্রতিরোধ করতে বেবিচক উদ্যোগ নিয়েছে।  পাখির আনাগোনার তথ্য সংগ্রহ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থান শনাক্ত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল নিয়োগের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বেবিচকের এক কর্মকর্তা বলেন, পাখির উপদ্রব বেড়ে গেলে উড়োজাহাজ চলাচলে নিরাপত্তাঝুঁকি থাকছেই। কিন্তু সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। দেশের সবকটি বিমানবন্দরেই পাখির উৎপাত দিন দিন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। টেকঅফ ও ল্যান্ডিংয়ের সময় ‘বার্ড স্ট্রাইকের’ ঝুঁকি বাড়ছেই।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নিয়মানুয়ায়ী, প্রতিটি বিমানবন্দরে রানওয়ে এলাকাকে পাখিমুক্ত রাখতে আধুনিক শব্দভিত্তিক বার্ড স্কেয়ারার সরঞ্জাম এবং পর্যাপ্ত শটগান থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাজেট বরাদ্দের অজুহাতে নতুন বন্দুক ও গোলাবারুদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া আটকে আছে।

উড়োজাহাজের সঙ্গে পাখি সংঘর্ষের ঘটনা : উড়ার ঠিক আগমুহূর্তে উড়োজাহাজের সঙ্গে পাখির সংঘর্ষ হয়েছে একাধিক। কিছু দিন আগে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাখি তাড়াতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। প্রায় সব বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামার সময় উড়োজাহাজের ইঞ্জিনে পাখি ঢুকে ক্ষতি, ফ্লাইট বিলম্ব এমনকি জরুরি অবতরণের ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত। সবচেয়ে বেশি হচ্ছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। পাখির সঙ্গে উড়োজাহাজের এ সংঘর্ষ শাহ আমানত বিমানবন্দরেরও নিয়মিত ঘটনা। বেবিচকের তথ্য বলছে, গেল ৫ বছরে আট বিমানবন্দরে বন্যপ্রাণীর সঙ্গে উড়োজাহাজের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ২৭৭টি, যার ৯৫ শতাংশই পাখির সঙ্গে, যা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি।

শাহজালালের বার্ড কন্ট্রোল সিস্টেম দীর্ঘদিন ধরে অকেজো। অভ্যন্তরীণ ৫টি বিমানবন্দরের কোথাও বার্ডশুটারই নেই। এর মধ্যে বরিশাল ও যশোরে সচল বন্দুক রয়েছে। সৈয়দপুর ও কক্সবাজারের বন্দুক অকেজো। আর শাহ মখদুমে কিছুই নেই। ২০২৫ সালের ২৭ জুন শাহজালালে উড্ডয়নের পরপরই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিঙ্গাপুরগামী একটি উড়োজাহাজের পাখায় পাখির আঘাত লাগে। এ ঘটনার পর উড়োজাহাজটি গন্তব্যে না গিয়ে ফের বিমানবন্দরে ফিরে আসে। তবে ক্ষতি হয়নি। তা ছাড়া গত তিন বছরে বিভিন্ন বিমানবন্দরে পাখির আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানের লন্ডনগামী অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনারসহ দেশি-বিদেশি একাধিক উড়োজাহাজ। অভিযোগ উঠেছে বিমানবন্দরে পাখি তাড়ানোর ক্ষেত্রে মনিটরিং ও জোরালো পদক্ষেপ নেই। প্রায়ই বার্ড হিটের ঘটনা ঘটছে।

অস্ত্র কিনতে নতুন করে চিঠি : সম্প্রতি বেবিচক যেসব এলাকায় বিমানবন্দর রয়েছে, অস্ত্র কিনতে ওই সব অঞ্চলের জেলা প্রশাসক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়েও চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, শাহজালালে অন্তত ১০টি বন্ধুক ক্রয় করতে হবে। শাহ মখদুম বিমানবন্দরেও পাখি ও বন্যপ্রাণী নিয়ন্ত্রণে অস্ত্রের সংকট আছে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে তিনটি এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী বিমান ওঠানামা করে। এ ছাড়া গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমির প্রশিক্ষণ বিমান দিনে ও রাতে চলাচল করে। বিমানবন্দরে কুকুর, শিয়াল ও পাখির উপদ্রব বেশি হলেও এসব তাড়ানোর কোনো যন্ত্র নেই। নিরাপদ বিমান চলাচলের স্বার্থে তাই জরুরি ভিত্তিতে নতুন আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সসহ বন্দুক কেনার আবেদন করা হয়। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও পাখি ও বন্যপ্রাণীর ঝুঁকি রয়েছে। রানওয়ের আশপাশে বনজঙ্গল, পুকুর ও ডোবার পাশাপাশি হোটেল, কর্ণফুলী নদী ও বঙ্গোপসাগর থাকায় বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও বন্যপ্রাণীর উপদ্রব বেড়েছে। এতে উড়োজাহাজের সঙ্গে বার্ড স্ট্রাইক ও অ্যানিমেল স্ট্রাইকের ঘটনা ঘটছে। বার্ডশুটার পদ থাকলেও তা পূরণ হয়নি। যশোর বিমানবন্দরেও পুরনো বন্দুক ব্যবহার করা হচ্ছে।

নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিষয়গুলো দেখছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। এ জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শুধু অ্যান্টি-বার্ড সিস্টেম নয়, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম কেনার জন্যও আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। একটির পর একটি সমস্যা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করছি।’

বেবিচক সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও জনবলের ঘাটতি রয়েছে। অস্ত্রের লাইসেন্স ব্যক্তির নামে দেওয়ার নিয়ম থাকায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে অস্ত্র কেনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান হবে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ। তিনি বলেন, পাখি নিয়ন্ত্রণের জন্য আমাদের প্রচলিত বার্ডশুটিং সিস্টেমটি এখনো চালু আছে। তবে এটি কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে, সেটি একটি প্রশ্ন। আমরা সব সময় সিস্টেমটি সচল রাখার চেষ্টা করছি।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন নুর হোসেন বলেন, অনেক আগের কিছু অস্ত্র ছিল। যেহেতু এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের বিষয় রয়েছে, যা আমরা করতে পারি না বা করি না, সে কারণেই অস্ত্রগুলো কিছুটা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি পাখি নিয়ন্ত্রণ করতে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত