৬৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাবে জাপানের আগ্রহ

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ এএম

জাপান জ্বালানি, অবকাঠামো ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েনের সমপরিমাণ ৬৩০ কোটি আমেরিকান ডলার বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য একটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল মঙ্গলবার টোকিওতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বিনিয়োগের এ প্রস্তাব দেন। এ বিনিয়োগের ফলে উৎপাদন, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিনিয়োগের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত বাংলাদেশে জাপানি প্রতিনিধিদল পাঠানোর বিষয়টি দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কান্তেই’তে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর দুই দেশের রাজধানী থেকে প্রকাশিত ১৪-দফার এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। শীর্ষ বৈঠকের পর দুই দেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু খাতে সহযোগিতার বিষয়ে দুটি সহযোগিতা-স্মারক ও একটি অভিপ্রায়পত্র স্বাক্ষর করে।

বৈঠকের পর দুই প্রধানমন্ত্রী একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), রেলপথ ও অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ অভিন্ন অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে জাপান সরকার ও দেশটির বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এশিয়ায় জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ‘পার্টনারশিপ ফর পাওয়ার এশিয়া’ উদ্যোগের আওতায় সাম্প্রতিক পাঁচ কোটি জাপানি ইয়েনের জরুরি সহায়তা ঋণের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) অবকাঠামো, দক্ষ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

তারেক রহমান গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ-জাপান টেক-পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে জাপানের কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণ মেধাবী, উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি খাতের দক্ষ জনশক্তির সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রস্তাবিত টেক-পার্কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিকস এবং ইলেকট্রনিকস উৎপাদনের মতো খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের ছয়টি প্রধান বিভাগীয় শহরকে যুক্ত করে দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্ক এবং দেশব্যাপী উড়াল সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। এ ধরনের বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পের পরিকল্পনা প্রণয়ন, কারিগরি সহায়তা, বিনিয়োগ ও অর্থায়নে তিনি জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতগুলো চিহ্নিত করা, সেগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এবং সহযোগিতার সুযোগগুলো কার্যকর করতে মন্ত্রীপর্যায়ের একটি যৌথ কমিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

তারেক রহমান তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দুইবার জাপান সফর এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বাংলাদেশের প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সফল সাধারণ নির্বাচনকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, জাপান সরকারের পাঠানো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই নির্বাচনটি বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।

দুই দেশের যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিশেষ অংশীদারত্ব ‘বিগ-বি’ এর (বিআইজি-বি) প্রেক্ষাপটে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতি, সরবরাহ ব্যবস্থায় ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি, দ্রুত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও নানাবিধ সামাজিক সমস্যার কথা বিবেচনায় রেখে উভয় প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই লক্ষ্যে, তারা এই উদ্যোগটিকে ‘অংশীদারত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির জন্য বিগ-বি’তে (বিআইজি-বি ফর শেয়ারড প্রসপারিটি) উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেন। উন্নীত এই পরিকল্পনায় তারা মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে মাতারবাড়ি-মহেশখালী এলাকাকে লজিস্টিকস, জ্বালানি ও শিল্পের একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান।

তারা আরও একমত পোষণ করেন যে, ‘অংশীদারত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির জন্য বিগ-বি’তে মূল লক্ষ্য হলো বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও তথ্য-প্রযুক্তি অবকাঠামোর উন্নয়নকে সমন্বিত করা, শিল্পকারখানার একটি বড় কেন্দ্র গড়ে তোলা, বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার প্রবেশদ্বার হিসেবে অঞ্চলটিকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি অর্জন করা। এটি অর্জিত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তাসহ বিভিন্ন ঝুঁকির বিপরীতে সক্ষমতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি ও নিয়মকানুন প্রণয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব চর্চা এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা জোরদার করার মাধ্যমে।

প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও উন্নত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তারেক রহমান এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, কর ব্যবস্থা, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স, রেমিট্যান্স ও লাইসেন্সিং-সংক্রান্ত কার্যপদ্ধতি সহজ করাসহ বাংলাদেশ সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন এবং বিনিয়োগ পরিবেশ সহজতর করার প্রতিশ্রুতি দেন।

উভয় প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এ প্রেক্ষাপটে, তারা ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’-বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর এবং তা কার্যকর হওয়াকে স্বাগত জানান। তারা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জাপানের নীতি পর্যালোচনার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং এ ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম বৃহত্তম অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবদানকে স্বাগত জানান।

মিয়ানমারের পরিস্থিতির অবনতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীসহ অন্যান্য মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ বৃদ্ধির ঘটনায় উভয় প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি, মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ ও ক্ষতিগ্রস্ত গোষ্ঠীর মধ্যে সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

তিন সহযোগিতা- স্মারক ও আগ্রহপত্র স্বাক্ষর : বৈঠকের পর উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতার জন্য দুটি স্মারক ও একটি আগ্রহপত্র স্বাক্ষর করা হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়ে সহযোগিতার স্মারক স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। পরিবেশবিষয়ক ক্ষেত্রে সহযোগিতার স্মারক স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এর বাইরে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তার বিষয়ে আলাদা অভিপ্রায়পত্র স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের গ্লোবাল এনভায়রেনমেন্ট ব্যুরো।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়িত করেন। তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এতে অংশ নেন।

এর আগে তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় জাপান ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গার্ড পরিদর্শন করেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে তারেক রহমান চার দিনের সরকারি সফরে সোমবার টোকিও পৌঁছান। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তার দেশের পথে টোকিও ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন : তারেক রহমান গতকাল বিকেলে জাপানের চিবা অঞ্চলের ফুতসু শহরে স্থলভিত্তিক তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেন।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান-বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দেন।

স্বাস্থ্যে জাপানি সহযোগিতা চান জুবাইদা রহমান : বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য গবেষণা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামোর উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। গতকাল জাপানের টোকিওতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক স্বাস্থ্যবিষয়ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্যসেবাকে নিজের পেশাগত ও ব্যক্তিগত আগ্রহের জায়গা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। দুই দেশের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুযোগ রয়েছে।

নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়াসহ দুই দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত