হংকং সিক্সেসে আগের ম্যাচে ৯৪ রান করেও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করেছিল বাংলাদেশ। তবে একই দিনে আসরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার সামনে ১২৮ রানের বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েও জয়ের দেখা পেল না সাব্বির-রনিরা। লঙ্কান ব্যাটার ভিশেন হালাম্বেজের অতিমানবীয় এক ইনিংসের সুবাদে ১ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দ্বীপরাষ্ট্রের দলটি।
টুর্নামেন্ট ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সফল রান তাড়ায় জয়ের রেকর্ড। যার মধ্যে দিয়ে গ্রুপপর্বে টানা দুই ম্যাচেই হারল বাংলাদেশ।
টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেওয়া শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন হাবিবুর রহমান সোহান ও সাব্বির রহমান। এই দুই ওপেনারের দানবীয় ব্যাটে ৯৫ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় দল। সাব্বির রহমান ১২ বলে ১টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৩৯ রান করে সাজঘরে ফিরলেও আরও বেশি বিধ্বংসী ছিলেন সোহান। মাত্র ১৪ বলে ২টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৫৩ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে নিয়ম অনুযায়ী মাঠ ছাড়েন তিনি।
পরে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রিটায়ার্ড আউট হয়ে ফেরা সোহানকে আবারও মাঠে নামায় দল। শেষ পর্যন্ত ১৫ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন সোহান, আর মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর ৩ বলে ১৪ রানের ক্যামিওতে নির্ধারিত ৬ ওভারে ৪ উইকেটে ১২৭ রানের পাহাড়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
তবে বড় পুঁজি গড়েও বোলারদের ব্যর্থতা আর লঙ্কানদের মারমুখী ব্যাটিংয়ের সামনে টিকতে পারেনি বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলতে থাকে শ্রীলঙ্কা। ভিশেন হালাম্বেজ ফিফটি করে একবার মাঠ ছেড়ে গেলেও পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় শেষদিকে আবার ক্রিজে ফেরেন তিনি। ১৭ বলে ১১টি ছক্কা ও ৩টি চারের সাহায্যে ৮০ রানের অপরাজিত এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলকে ৪ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি।
অবশ্য এখানেই মিশন শেষ হয়নি বাংলাদেশের। এই টুর্নামেন্টের সাব্বিররা আছেন গ্রুপ বি-তে। সেখানে বাংলাদেশের স্থান তলানিতে, তৃতীয় স্থানে। এবার বোল পর্বে গ্রুপ ডি-এর তৃতীয় স্থানে থাকা দলের বিপক্ষে লড়বে তারা। সেখানে প্রতিপক্ষ হতে পারে ওমান, দক্ষিণ আফ্রিকা বা আফগানিস্তান। চার গ্রুপের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দলগুলো লড়বে প্লেট পর্বে আর গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরা লড়বে মূল সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালে।
শেষ বলের নাটকে হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের