সামিটের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল বন্ধ থাকায় দেশে গ্যাস সরবরাহ ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট কমেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হয়েছে, যা ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে বলে এর আগে জানিয়েছিল পেট্রোবাংলা।
এ সময় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৫৪০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুই ঘণ্টার ব্যবধানে সকাল ১০টায় তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯ মিলিয়ন ঘনফুটে। অর্থাৎ মাত্র দুই ঘণ্টায় সরবরাহ কমেছে ৪৬১ মিলিয়ন ঘনফুট। সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে মোট সরবরাহ কমেছে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। আর এলএনজি সরবরাহ কমেছে প্রায় ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ।
পেট্রোবাংলা জানায়, সকাল ৮টায় দেশে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৫৬৬ মিলিয়ন ঘনফুট। অন্যদিকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএলএনজি) থেকে সরবরাহ পাওয়া গেছে ৯৭৪ মিলিয়ন ঘনফুট। সকাল ১০টায় স্থানীয় গ্যাসের সরবরাহ প্রায় অপরিবর্তিত থেকে ১ হাজার ৫৬৫ মিলিয়ন ঘনফুট থাকলেও আরএলএনজি সরবরাহ কমে দাঁড়ায় ৫১৪ মিলিয়ন ঘনফুটে। অর্থাৎ দুই ঘণ্টায় আরএলএনজি সরবরাহ কমেছে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট।
সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৮০ ঘণ্টা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ ১০ টায় টার্মিনালটি বন্ধ করা হয়। এর ফলে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি বেড়েছে।
দেশের শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাসের চাহিদা মেটাতে আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা রয়েছে। একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় সরবরাহে এমন বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দেওয়ায় গ্যাসনির্ভর বিভিন্ন খাতে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আজ থেকে টানা ৪ দিন সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে