৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ওই দিন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রত্যয়ে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে তৎকালীন ষড়যন্ত্র ও সংকট মোকাবিলার একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা সেই পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে মুখরিত জনতার অংশগ্রহণে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয় আরও সুদৃঢ় হয়।

জামায়াতের আমির বলেন, বর্তমান সময়েও দেশ ও জাতি নানা রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটের মুখোমুখি। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা রুখে দিতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন ও স্বৈরাচারী প্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সরকার ও সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিবৃতির শেষাংশে ডা. শফিকুর রহমান ৭ নভেম্বর উপলক্ষে জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতাকে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানান।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত