ছাত্রজীবনে আসিম জাওয়াদ কখনও দ্বিতীয় হননি বলে জানিয়েছে নিহত জাওয়াদের খালাতো ভাই মশিউর রহমান শিমুল। বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জেলা শহরের তাদের বাসায় গিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
তিনি আরও বলেন, সকালে তারা জানতে পারেন, চট্টগ্রামে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এরপর থেকে তারা খোঁজ নিতে থাকেন। দুপুর ১২টার দিকে খবর পান, আসিম জাওয়াদ মারা গেছেন। তার বাবা চট্টগ্রামে উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
নিহত পাইলটের বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার গোপালপুর গ্রামে। তার পরিবার জেলার পৌরসভার পশ্চিশ দাশড়া এলাকায় থাকতেন।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুপুর সাড় ১২টার দিকে পতেঙ্গার বানৌজা ঈসা খাঁ হাসপাতালে (নেভি হাসপাতাল) পাইলট জাওয়াদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিমান বাহিনীর ইয়াক-১৩০ (YAK 130) নামক একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে। পরে চট্টগ্রাম বোট ক্লাবের অদূরে কর্ণফুলী নদীতে আছড়ে পড়ে প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি।