সামাজিক মাধ্যমে শোকের ছায়া

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০১:৫৬ এএম

ঢালিউডের ‘মিষ্টি মেয়ে’ সারাহ বেগম কবরীকে হারিয়ে বিনোদন অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের তারকারা জানিয়েছেন শোক ও শ্রদ্ধা

কবরী একজনই হয় : শাবানা

ফেইসবুকে অভিনেতা মিশা সওদাগর লিখেছেন, ‘কবরী আপুর মৃত্যুর কথা যখন শাবানাজীকে বললাম, তিনি অনেকক্ষণ কথা বলেননি। তারপর কান্নাভেজা কণ্ঠে বললেন, “কবরী একজনই হয়।” লিজেন্ডের প্রতি লিজেন্ডের অসাধারণ রেসপেক্ট।’

রুপালি পর্দায় আপনিই শ্রেষ্ঠ : সুবর্ণা মুস্তাফা

আপনার হাসি, আপনার অভিনয়, আপনার চাহনি যুগের পর যুগ ধরে সব বয়সের দর্শককে মুগ্ধ করেছে। বাংলাদেশের রুপালি পর্দায় আপনিই শ্রেষ্ঠ নায়িকা। আপনাকে বিদায় বলার কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। কেমন যেন দমবন্ধ, দমবন্ধ লাগছে। ওপারে শান্তিতে থাকবেন কবরী আপা।

বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণমুকুট : অঞ্জনা

আরেকটি নক্ষত্রের পতন। কবরী আপা নেই, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। এত বড় শোক মেনে নেওয়ার মতো না। সব সময় আপনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম স্বর্ণমুকুট হয়ে রইবেন চিরজীবন।

অত্যন্ত ব্যক্তিত্ববান মানুষ তিনি : শাকিব খান

চলচ্চিত্রের যারা পথপ্রদর্শক, তারা একে একে চলে যাচ্ছেন। সেই পথে পাড়ি দিলেন আমাদের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী আপা। চলচ্চিত্রের প্রাজ্ঞজনের একজন ছিলেন কবরী আপা। তিনি সোনালি অতীতের সমুজ্জ্বল সাক্ষী ছিলেন। ভালো থাকবেন কবরী আপা। কয়েক দিন ধরেই আপনার সঙ্গে তোলা ছবিগুলো খুঁজছিলাম। এখন পেলাম, যখন আপনি অনেক দূরে। অভিনেত্রী পরিচয়ের বাইরে পরিচালনায়ও সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি। পর্দার মিষ্টি মেয়ে হিসেবে খ্যাতি পেলেও ব্যক্তিজীবনে কবরী আপা ছিলেন অত্যন্ত ব্যক্তিত্ববান একজন মানুষ। কিংবদন্তি এই মানুষটির সঙ্গে আমার অসংখ্য স্মৃতি আছে। যখনই দেখা হতো, আমাকে স্নেহ করতেন। যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন কবরী আপা।

পাঁজরটা ভেঙে যাচ্ছে : কনকচাঁপা

আসলেই আর পারছি না। কবরী আপা নেই। ঘণ্টা পাঁচেক আগে দোয়া চেয়ে স্ট্যাটাস দিলাম, আর এখনই এটা শুনলাম। এভাবেই আমরা একে একে হারাব আমাদের প্রিয়জনকে? প্রিয়জন চলে গেলে মনে হয় পাঁজরটাই ভেঙে যায়। আর সেই চলে যাওয়া যদি মোটামুটি নিয়মিত হয়, তখন তা সহ্যের বাইরে চলে যায়।

তাকে বকুল ফুল মনে হলো : ফাহমিদা নবী

মনে হচ্ছে অনেক বৃষ্টি হোক, ঝড় হোক। ঝরে যাক অব্যক্ত বেদনা এই ভোররাতে! মৃত্যু যার যখন হবে, তার তখনই চলে যেতে হবে। এ নিয়ে আর কিছু বলব না। পবিত্র মাসে চলে গেলেন, সেটাই ভালো। আব্বার (শিল্পী মাহমুদুন্নবী) কথা মনে পড়ছে, কাঁদতে পারি না আর! কবরী আন্টিকে আমার বকুল ফুল মনে হলো। জানি না কেন! বকুল ফুলকে খুব সাহসী আর দুঃখী ফুল মনে হয় সেই ছোটবেলা থেকে। যখন কুড়াতাম, তখনি মনে হতো, এই ফুল তো ছেঁড়া যায় না, বিশাল গাছে ছোট ছোট ফুল। ঝরে ঝরে পড়ে, বৃষ্টির ফোঁটার মতো। বোধ হয় কাঁদে আর সুখ বিলায়! শুকিয়ে যায় কিন্তু গন্ধ ছড়াতেই থাকে আজীবন, কী আশ্চর্য! তাই বকুল ফুল অন্য রকম প্রিয়, দামি আর সংগ্রামী ফুল আমার কাছে। কবরী আন্টিও অনেক যুদ্ধ করেছেন নিজের সঙ্গেই। অনেক ক্লান্ত ছিলেন। অনেক বেদনাকে ছাপিয়ে আবার হাঁটতে পথ খুঁজেছিলেন হয়তো! আল্লাহ আপনাকে জান্নাত দান করুন।

ছবি তোলার আবদার করলাম : চঞ্চল চৌধুরী

কবরী আপা নেই...! তিনি আমাদের স্বপ্নের নায়িকা। কোন অনুষ্ঠানে প্রথম দেখা হয়েছিল, মনে নেই। শেষ যেবার দেখা হয়েছিল তার সঙ্গে, আবদার করেছিলাম একটা ছবি তোলার। স্পষ্ট মনে আছে, বলেছিলেন, ‘চঞ্চল, আমি তোমার “মনপুরা”র ভক্ত...’। ভালো থাকবেন কবরী আপা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত