শিল্পকারখানা খোলার খবরে শিমুলিয়া ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড়

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০২:১৮ পিএম

শিল্প কারখানা খোলার খবরে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়াঘাটে ঢাকামুখো যাত্রীর ঢল নেমেছে।

শনিবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার যাত্রী সাধারণ ছুটতে শুরু করেছে ঢাকার উদ্দেশ্যে। লকডাউনে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় ফেরিতে পারাপারের যাত্রীর এ ঢল নামে।

আগামীকাল রবিবার থেকে গার্মেন্টস ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে- এমন খবরেই ঢাকায় ছুটছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিনবঙ্গের ঢাকামুখো যাত্রীরা।

তাদের কথা হচ্ছে- আগামীকাল রবিবার থেকে আবারও শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলতে খবর পেয়ে- জীবিকার তাগিদে কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকার দিকে রওনা দিয়েছেন তারা।

এদিকে, বাংলাবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ফেরিগুলোতে যাত্রীদের গাদাগাদি দৃশ্য পরিলক্ষিত হয়েছে। ফেরিতে মানুষের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা খুব কম। এতে উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। একে অপরের গা ঘেঁষাঘেঁষি করে যাতায়াত করায় বাড়ছে করোনার ঝুঁকি।

ফেরি থেকে নামার পরে তিন থেকে চার গুণ বাড়তি ভাড়া দিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন যাত্রীরা। বর্তমানে এ নৌরুটে ১০টি ফেরি চলাচল করছে।

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন বলেন, আমাদের ঘাটে যানবাহন এসেই ফেরিতে উঠতে পারছে। ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের প্রচুর চাপ বেড়েছে। 

বিআইডব্লিটিসির শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের ঘাটে অল্প কিছু যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী যাত্রীর চাপ কম। তবে বাংলাবাজার ঘাটে প্রচুর যানবাহন অপেক্ষমাণ আছে। সেখান থেকেই যে ফেরিগুলো আসছে, তাতে প্রচুর যাত্রী চাপ রয়েছে। আগামীকাল থেকে গার্মেন্টস খোলা থাকার কারণে এই চাপ বেড়েছে। রবিবারের পরে এ চাপ কমে যাবে বলে আশা করছি।

কাকলি আক্তার নামে এক গার্মেন্টস কর্মী জানান, তিনি সাভারের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। মানুষের মুখে শুনেছেন আগামীকাল থেকে পোশাক কারখানা খোলা থাকবে। তাই কর্মস্থলের দিকে ছুটছেন তিনি।

আল আমিন নামে এক পোশাককর্মী বলেন, ঈদের পর থেকে ভাবছিলাম কবে গার্মেন্টস খুলবে। গত কালকে রাতে ফোন পেলাম আমাদের পোশাক কারখানা রবিবার থেকে খুলবে। তাই গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ি থেকে আবারও ঢাকায় রওনা করেছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত