পদ্মা সেতুতে ধাক্কা দেয়া ‘কাকলিকে’ অন্য রুটে পাঠানোর জন্য দুই দিন আগেই চিঠি দিয়েছিলেন ফেরির মাস্টার মো. বাদল হোসেন।
ফেরির ওপর নিয়ন্ত্রণ কম এবং পদ্মার তীব্র স্রোতে ফেরি 'কাকলি' চালানো হলে সেতুর পিলারে ধাক্কা লাগতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
ফেরির ইনল্যান্ড মাস্টার অফিসার মো. বাদল হোসেন অভিযোগ করেন, লিখিত দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুট থেকে এ ফেরি সরিয়ে অন্য রুটে দেওয়ার আবেদনও রাখা হয়নি।
শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টায় পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয় ফেরি 'কাকলি'। এ নিয়ে জুলাই-আগস্টে মোট চার বার পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগল।
চিঠিতে বলা হয়, ফেরিটি মেকানিক্যাল (চেইন সুকান) হওয়ার কারণে নিয়ন্ত্রণ কম হচ্ছিল। এর কারণে পদ্মাসেতুর পিলারে ধাক্কা লাগতে পারে। তাই, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে না রেখে অন্য রুটে স্থানান্তর করার জন্য বলা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহ-মহাব্যবস্থাপকের (বাণিজ্য) কাছে এ আবেদন করা হয়।
ফেরির মাস্টার অফিসার মো. বাদল হোসেন দ্য বলেন, 'প্রচণ্ড স্রোতের কারণে ফেরি চালানো যাচ্ছিল না এ নৌপথে। যার জন্য গত ১১ আগস্ট লিখিত আকারে রিপোর্ট দিয়েছিলাম। লিখিত দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আট মাস ধরে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চালিয়ে আসছি। এর আগে, চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌরুটে ফেরি চালিয়েছি।'
এ বিষয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী বলেন, 'সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কার ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
সূত্র: ডেইলি স্টার
