ঈদে টানা ৭ দিনের ছুটির আমেজ কাটিয়ে আবারও পুরনো ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে রাজধানী ঢাকা। ছুটি শেষে গত সোমবার সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খুলে গেলেও রাজধানীর সড়কগুলোতে তুলনামূলক কম ছিলো যানবাহনের চাপ। অনেক এলাকাতেই ছিলো স্বস্তিদায়ক যান চলাচল। একই সঙ্গে যানজটও ছিলো সীমিত।
তবে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা গেছে চেনা ব্যস্ততার চিত্র। যানবাহনের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে মানুষের চলাচলও।
সকাল থেকে রাজধানীর উত্তরা, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, শ্যাওড়া, ইসিবি চত্বর ও মিরপুর এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা যায়, আগের মতোই যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন মোড়ে। অনেকক্ষেত্রে ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও অপেক্ষা করতে হচ্ছে গাড়িগুলোকে। কোথাও কোথাও ধীরগতির যান চলাচলও চোখে পড়েছে। একই ঈদের ছুটিতে যে সড়কগুলো অনেকটাই ফাঁকা ছিলো, সেগুলোতে আবারও ফিরেছে কর্মব্যস্ত মানুষের পদচারণাও।
এছাড়া সকালের দিকে উত্তরা থেকে বিমানবন্দর সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন গণপরিবহনের চাপ ছিলো উল্লেখযোগ্য। খিলক্ষেত, কুর্মিটোলা ও শ্যাওড়া এলাকায় বিভিন্ন অফিসগামী মানুষের ভিড় দেখা গেছে। আর ইসিবি চত্বর ও মিরপুরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের ব্যস্তভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
খিলক্ষেত ও বিমানবন্দর এলাকার কয়েকটি বাসের হেলপাররা জানান, ঈদের ছুটির পর এখনও যাত্রীদের চাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তবে আগের তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে।
বিকাশ বাসের হেলপার রাসেল মিয়া বলেন, অনেক মানুষ এখনও ঢাকায় ফিরছেন। গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ যাত্রীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। স্কুল-কলেজ খোলা হলে পুরোদমে যাত্রী পাবো৷ আরেক হেলপার সুমন বলেন, আজ সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রী বেশি। দুপুরের পর আরও চাপ বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।
এদিকে রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতেও ছিলো মানুষের ভিড়। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং কাপাসিয়া ও কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে দূরপাল্লার বাসে করে যাত্রীদের ঢাকায় ফিরতে দেখা গেছে।
কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরা বেসরকারি চাকরিজীবীরা বলেছেন, ঈদের ছুটিটা পরিবারের সঙ্গে খুব ভালো কেটেছে। এখন আবার কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরতে হচ্ছে। যাত্রা মোটামুটি স্বস্তিতেই হয়েছে। শুধু ভাড়া কিছুটা বেশি নিয়েছে।
পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া কতদূর?