ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা) আসনে স্থগিত তিন কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতার পক্ষে মৃত ও প্রবাসীদের ভোট পড়ার আতঙ্কে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া।
শনিবার দুপুরে জেলা শহরের বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সাত্তার ভূইয়া বলেন, ‘মৃত ও প্রবাসীসহ তিন কেন্দ্রের সকল ভোট আগের রাতেই গ্রহণ দেখিয়ে আমাকে পরাজিত করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’
তিনি জানান, স্থগিত তিন কেন্দ্রে মৃত ও প্রবাসী ভোটার ৫৬৩ জন। মোট ভোটার থেকে এ সংখ্যা বাদ দিলে ধানের শীষই এগিয়ে থাকে। ফলে আর পুনঃভোটের প্রয়োজন হয় না।
তার অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী তিন কেন্দ্রের সব ভোট আগের রাতে ব্যালট বাক্সে ভরার ষড়যন্ত্র করছেন।
৯ জানুয়ারি এ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। গত ৩০ ডিসেম্বর ১২৯ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে ধানের শীষ প্রার্থী। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. মঈন উদ্দিন।
সেদিন ধানের শীষে পড়েছে ৮২ হাজার ৭২৩ ভোট আর মঈন উদ্দিন ‘কলার ছড়ি’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৫৬৪ ভোট।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষের লোকজন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট কেন্দ্রে না যেতে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলে অভিযোগ করেন সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক, সরাইল উপজেলা সভাপতি আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অনিয়ম ও গোলযোগের কারণে গত ৩০ ডিসেম্বর তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।
এখানে ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ৫৭৪। আর সাত্তার এগিয়ে আছেন ১০ হাজার ১৫৯ ভোটে।
স্থগিত তিন কেন্দ্র হলো: যাত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সোহাগপুর (দক্ষিণ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তিনটি কেন্দ্রই পড়েছে আশুগঞ্জ উপজেলায়। স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন উদ্দিনের বাড়ি আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর গ্রামে।
