রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কিশোরগঞ্জ ময়মনসিংহে সৈয়দ আশরাফের জানাজায় মানুষের ঢল

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০১:০২ এএম

কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগ নেতা ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জানাজায় অসংখ্য মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনে বহুগুণে গুণান্বিত নেতার জানাজায় গতকাল রবিবার লাখো মানুষের ঢল নামে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান ও ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে।

গতকাল বেলা সোয়া ১টায় শোলাকিয়া ঈদগাহে সৈয়দ আশরাফের দ্বিতীয় জানাজা হয়। জানাজায় অংশ নিতে সকাল ১০টা থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দল-মত নির্বিশেষে স্রোতের মতো মানুষ আসতে থাকে শোলাকিয়া মাঠের দিকে। শোলাকিয়া মাঠ পরিণত হয় জনসমুদ্রে। জানাজা শেষে প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানায় সর্বস্তরের লাখো মানুষ। কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. খলিলুর রহমান জানাজায় ইমামতি করেন।

জানাজার আগে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে সৈয়দ আশরাফের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ। এ সময় সেখানে সৈয়দ আশরাফের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এর আগে বেলা পৌনে ১টার দিকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল কলেজ মাঠে আনা হয়। পরে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে নেওয়া হয়।  সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়।

শোলাকিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. ফাইজুল হক গোলাপ বলেন, ‘আমি কিশোরগঞ্জের অনেক বড় বড় নেতার জানাজায় অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু এত মুসল্লির উপস্থিতি কোথাও পাইনি।’ কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সাংসদ মো. নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আমার পিতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান বলতেন কিশোরগঞ্জে আরেকজন সৎ, নীতিবান নেতার জন্ম হয়েছে। তিনি হলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এই জানাজায় তার প্রমাণ মিলেছে।’

শোলাকিয়ায় জানাজা শেষে বেলা ৩টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহে সৈয়দ আশরাফের তৃতীয় জানাজা হয়। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ এই জানাজায় অংশ নেয়। জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল হক খোকা ও প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ভাই ডা. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত