একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যদের শপথ, মন্ত্রিসভা গঠনও শপথ- কিছু নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
সোমবার বিকেলে বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নেওয়ার পর দেশ রূপান্তরের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা অনাগ্রহের কথা জানান।
এর আগে সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে নতুন মন্ত্রিসভার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবৈধ সরকারের মন্ত্রিসভা নিয়ে কিছু বলতে চান না তিনি।
‘মন্ত্রিসভা কেমন হলো জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, মন্ত্রিসভায় কারা এসেছেন তা দেখেননি। জানেনও না। এ নিয়ে কথাও বলতে চান না।
তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর রাত থেকে স্থানীয় বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নেমে এসেছে নির্যাতন। তার নির্বাচনী এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা করছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হানা দিচ্ছে তারা। হুমকি দিচ্ছে ব্যবসা খুললে টাকা দিতে হবে। রাস্তায় বের হলে টাকা দিতে হবে। এভাবে প্রতিদিন নেতাকর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে। এসব দেখে শুনে সময় পার করতে হচ্ছে। কে শপথ নিল কে মন্ত্রী হচ্ছে তা খেয়াল করার সময় কোথায় ?
বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য নজরুল ইসলাম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। এ অবস্থায় তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, মন্ত্রিসভা নিয়ে তার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। ‘নো কমেন্টস’।
তবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, নবগঠিত মন্ত্রিসভায় তারুণ্যের জয়জয়কার হয়েছে। প্রবীণদের বাদ দিয়ে নতুনদের দিয়ে মন্ত্রিসভা করা হয়েছে। তবে এবারের মন্ত্রিসভায় ব্যবসায়ীদের সংখ্যা বেশি।
তিনি বলেন, তরুণ যেসব নেতা মন্ত্রী হয়েছেন তাদের অনেকের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। তবে আগামীদিনে তাদের সঙ্গে পরিচয় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান।
