মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে বড় ভাই গিয়াস উদ্দীন হত্যা মামলায় ছোট ভাইকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও তার স্ত্রী-ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার সকালে জেলা জজ আদালতের বিচারক জজ গাজী রহমান এ দণ্ডাদেশ দেন।
আসামিরা হলেন- ছৈয়ফ তুল্লাহ (৬২), তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫২) এবং ছেলে এহসানুল হক বাবু (২৮)।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুর গ্রামে বাঁশ কাটা ও পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় ভাই গিয়াস ও ছোট ভাই ছৈয়ফতুল্লাহর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি হলে গিয়াসকে ধারালো অস্ত্র সাবল, হাঁসুয়া ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে ছৈয়ফ তুল্লাহ ও তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন এবং ছেলে এহসানুল। ঘটনাস্থলেই মারা যান গিয়াস।
পরদিন ৯ এপ্রিল নিহত গিয়াসের স্ত্রী রাহেলা বেগম বাদী হয়ে গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটক করা হয় ঐ তিনজনকে। ২ আগস্ট আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মুরাদুল ইসলাম।
পরে মামলার সাক্ষী জবানবন্দি জেরা গ্রহণ শেষে বুধবার মেহেরপুর জেলা জজ আদালতে একজনকে আমৃত্যু ও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করে ওই রায় দেন বিচারক। এই মামলায় ১১ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি অ্যাড. পল্লভ ভট্টাচার্য তরুণ ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন একরামুল হক হীরা।
