বারইয়ারহাট পৌরবাজারে পারাপারে জটিলতা

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৭ এএম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট পৌরবাজার অংশের পূর্ব-পশ্চিমে পারাপারের ফাঁকা জায়গা বন্ধ করে দেওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতারা সড়ক পারাপারে দুর্ভোগে পড়েছে। একটি ফুটওভার ব্রিজ থাকলেও ভারী জিনিস নিয়ে মানুষ তার ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে পারছে না।

গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারের অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে অবস্থিত। তাই উত্তর চট্টগ্রামের বড় এই বাজারে গোলচত্বর বা আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি উঠেছে জোরেশোরে।

বারইয়ারহাট থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব ৭০ ও ফেনীর দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। বাজারটি কয়েকটি অঞ্চলের সংযোগস্থল। ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি যোগাযোগ ছাড়াও ফেনী, নোয়াখালী, ছাগলনাইয়া, করেরহাট, রামগড়, খাগড়াছড়ি ও ফটিকছড়ির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একমাত্র রাস্তা।

বারইয়ারহাট পৌর বাজারের বড় মুদি দোকান জসিম ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান ও জোবেদা ফার্মেসির ওমর ফারুক বাবলু বলেন, বারইয়ারহাট বাজারে প্রায় ২০০টি মুদি দোকান ও ৫০টি ফার্মেসি আছে। মুদি দোকানে ভারী ভারী বস্তা থাকে। কোনো ক্রেতার পক্ষে ভারী বস্তা নিয়ে ওভারব্রিজ পার হওয়া সম্ভব নয়। রোগীরা ৮২টি সিঁড়ি পার হয়ে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে দুর্ভোগে পড়ছে। তাই গোলচত্বর অথবা উড়াল সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।

বারইয়ারহাট স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন পেয়ার ও রিয়া টি হাউসের স্বত্বাধিকারী প্রদীপ কুমার দে জানান, ২০১৫ সালের ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন তারা। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত