লক্ষ্মীপুরে যথাযথ কর্র্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। জেলার পাঁচটি উপজেলার মুদি দোকান, কনফেকশনারি, ফার্মেসি, ক্রোকারিজ, ফোন-ফ্যাক্স, ইলেকট্রনিকসের দোকান, এমনকি চায়ের দোকানেও চলছে বোতলজাত গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি। বেশিরভাগ গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান রয়েছে জনাকীর্ণ এলাকায়।
অধিকাংশ দোকানে গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য তালিকাও টাঙানো নেই। প্রশাসনের তদারকি না থাকায় সস্তায় নি¤œমানের রেগুলেটর, গ্যাস সরবরাহ পাইপ ও অনুমোদনহীন বিভিন্ন কোম্পানির ঝুঁকিপূর্ণ চুলাও বিক্রিও হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনাও ঘটছে কোথাও কোথাও।
একটি কোম্পানির পরিবেশক আবুল খায়ের ভূঁইয়া জানান, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় ও মজুত করতে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কথা থাকলেও শুধু পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে বিভিন্ন দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে।
আইন অনুযায়ী অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে খুচরা বিক্রির জন্য মাত্র ১০টি গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার রাখা যাবে।
