যৌন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা, স্ত্রী আটক

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১০:০৬ পিএম

নাটোরের গুরুদাসপুরে যৌন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যার অভিযোগে এক নারীকে আটকের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহত কাবিল বিশ্বাসের (২০) স্ত্রী রুমি খাতুনকে (১৮) আটক করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে উপজেলার মশিন্দা মাঝ পাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহত কাবিল বিশ্বাস পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার ধানকুড়িয়া চরপাড়া গ্রামের নওশেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। রুমি খাতুন গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা মাঝপাড়া গ্রামের মকছেদ আলীর মেয়ে।

রুমির পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত পাঁচ মাস পূর্বে কাবিল বিশ্বাসের সাথে রুমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই কাবিল হোসেন যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে স্ত্রীর ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এক জানুয়ারি শীতের পিঠা খাওয়ার কথা বলে রুমি তার বাবার বাড়িতে চলে আসে। শুক্রবার কাবিল হোসেন মাশিন্দা মাঝপাড়া গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে আসেন। রুমির বাবার বাড়িতে রাতে ওই একই ভাবে রুমির ওপর যৌন নির্যাতন চালায় কাবিল বিশ্বাস। যৌন নির্যাতনকে কেন্দ্র করে সেই রাতে তাদের মধ্যে কলহ হয়। স্বামী কাবিল ঘুমিয়ে পড়লে ভোর রাতে ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার অণ্ডকোষসহ পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন রুমি। এতে ঘটনাস্থলেই কাবিল বিশ্বাসের মৃত্যু হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে নিহত কাবিলের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমি খাতুনকে আটক করা হয়েছে।

নিহতের বাবা নওসের বিশ্বাস জানান, ছেলেকে পিঠা খাওয়ানোর কথা বলে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে নিয়ে আসে। পরকীয়ার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি এ ঘটনার তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত