ইমাম-উল-হকের শতক, বাবর আজম ও মোহাম্মদ হাফিজের দুই অর্ধশতকে বড় সংগ্রহ পেয়েও বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ব্যর্থ পাকিস্তান। কিন্তু অসাধারণ ব্যাটিং ও বৃষ্টি আইনে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেটি নিজেদের করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
সেঞ্চুরিয়নে শুক্রবার দিবা-রাত্রির ম্যাচটিতে ডাকওয়ার্থ অ্যান্ড লুইস পদ্ধতিতে পাকিস্তানকে ১৩ রানে হারায় স্বাগতিক দল। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা।
জয়ের জন্য ৩১৮ রানের জবাবে ৩৩ ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১৮৭। এরপর বৃষ্টির জন্য আর খেলা হয়নি। ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে সে সময় দলটির প্রয়োজন ছিল ১৭৫ রান। জয় পেয়ে যায় ফাফ দু প্লেসির দল।
বৃষ্টির আগে দারুণভাবে এগুচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। রিজা হেনড্রিকস ৯০ বলে আট চার ও দুই ছক্কায় ৮৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৪২ বলে ৪০ রানে ব্যাট করছিলেন ফাফ দু প্লেসি।
ওপেনিং জুটিতে দলকে ভালো একটি শুরু এনে দেন কুইনটন ডি কক ও হাশিম আমলা দুটি। প্যাভিলিয়নে ফেরা ৩৬ বলে ৩৩ রান করেন ডি কক, ৩০ বলে ২৫ রান হামলার।
এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার ওভারে ৬ উইকেটে ৩১৭ রানের বড় সংগ্রদ দাঁড় করায় পাকিস্তান।
ক্যারিয়ারে পঞ্চম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ইমাম। দলীয় চার রানে ওপেনার ফখর জামান। সে পথে হাঁটেননি ইমাম। দীর্ঘক্ষণ আগলে রাখেন উইকেটের একপ্রান্ত। দলীয় ২৫০ রানে তাবরেইস সামসির বলে আউট হওয়ার আগে সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে যান ইমাম। বাবর আজমের সঙ্গে গড়েন ১৩২ রানের জুটি। ৮৪ রানের জুটি গড়েন হাফিজরে সঙ্গে, ৩০ রানের জুটি শোয়েব মালিবের সঙ্গে। ইমামের ১১৬ বলের ইনিংসটিতে রয়েছে আটটি চারের মার।
উইকেট ছাড়ার আগে ৭২ বলে ৬৯ রান করেন বাবর; ৪৫ বলে ৫২ রান করেন হাফিজ। ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলেন ইমাদ ওয়াসিম। ২৩ বলে সাত চারে ৪৩ করে অপরাজিত থাকেন ছয় নম্বরে নামা এই ব্যাটার। ৩১ রান করেন মালিক।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন ডেল স্টেইন, কাগিসো রাবাদা। একটি করে উইকেট নেন হেনড্রিকস ও সামসি।
ম্যাচ সেরা হন দক্ষিণ আফ্রিকার রেজা হেনড্রিকস।
