অনলাইনে পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়ায় শিশু যৌন নিপীড়নকারী আট ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তারা এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন।
লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিরর জানায়, পেডোপেলিক হিসেবে পরিচিত এসব ব্যক্তির নাম, ছবি ও পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়ার অল্প কয়েকদিনের মধ্যে একে একে সবাই আত্মঘাতী হন তারা।
শিশু নিপীড়নকারী শনাক্তকারীরা ফেসবুকে এসব ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করে দেয়। এতে তারা জনসম্মুখে নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবার লজ্জায় মৃত্যুর পথ বেছে নেন।
তাদেরকে শনাক্তকারীরা জানায়, অনলাইনে অপকর্ম চালানো বিকৃতচিন্তার এসব লোক জনসম্মুখে নিজেদের পরিচয় লুকিয়ে রাখতো। তবে আত্মঘাতী এসব লোকদের পরিবার দাবি করেছে, মৃত্যুর পথ বেছে নিতে তারা বাধ্য হয়েছেন।
বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আত্মহত্যাকারী এক ব্যক্তির মেয়ে জানান, পেডোপেলিক শনাক্তকারীরা তার বাবার প্রতি অবিচার করেছে।

লেসলি নামে এ ১৫ বছর বয়সী এ কিশোরী জানান, ২০১৫ সালে বাবার নামে এসব তথ্য ফাঁস হয়ে পড়ায় মানুষ থেকে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘বাবাকে আমি ভালোবাসতাম। তিনি দারুণ মজার মানুষ ছিলেন। কিন্তু তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে এ কালো দিক থাকতে পারে আমার সন্দেহ হয়।’
এক বন্ধু যখন তার বাবার বিষয়ে প্রথম এ তথ্য জানান তিনি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ায় রীতিমত নিগৃহিত হন। তবে তার দাবি, অনলাইনে তার বাবার নামে অন্যকেউ অ্যাকাউন্ট চালাতো। তিনি চেষ্টা করছেন, ওই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে।
