আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের গুলিতে জেএসএস সংস্কারপন্থী গ্রুপের সদস্য মংসিনু মারমা (৪০) ও তার বন্ধু মো. জাহিদ হোসেন (৩২) নিহত হয়েছেন।
সোমবার বিকেল চারটায় কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নের কারিগর পাড়া ফরেস্ট অফিস এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মংসিনু মারমা রাইখালীর নারানগিরি এলাকার উচংনু মারমা ও জাহিদ একই গ্রামের আরব আলীর ছেলে। জেএসএস'র দুই পক্ষের বিরোধে এই হত্যা বলে পুলিশ জানায়।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকেল চারটার দিকে রাইখালীর কারিগর পাড়ার ফরেস্ট অফিসের সামনে বন্ধু জাহিদ হোসেনসহ আড্ডা দিচ্ছিল মংসিনু মারমা। তিনি জনসংহতি সমিতির (সন্তু লারমা) কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও সম্প্রতি জেএসএস সংস্কারপন্থী (এমএন লারমা) গ্রুপে যোগ দেন।
তারা আরো জানান, এর জের ধরে সোমবার বিকেলে কাপ্তাইয়ের রাইখালীর কারিগর পাড়ায় মুখোশধারী সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা মংসিনু মারমা ও তার বন্ধু মো. জাহিদ হোসেনকে গুলি করে পালিয়ে যায়।
চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মংসিনু মারমা আগে জনসংহতি সমিতির (সন্তু) গ্রুপের সদস্য ছিলেন। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সে জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা) গ্রুপে যোগ দেন। দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
হত্যায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে তিনি জানান।
রাইখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ কারবারি বলেন, মংসিনু মারমা আগে জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপে ছিল। সেখান থেকে বের হয়ে আসায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি জানান।
