রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

পেছনের দরজা দিয়ে কেউ যেন উপজেলায় না ঢুকে: মাহবুব

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:৩৭ পিএম

অবৈধ উপায়ে, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে কেউ যাতে পেছনের দরজা দিয়ে উপজেলা পরিষদে ঢুকে না পড়েন, সে বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

বুধবার আগারগাঁওস্থ ইটিআই ভবনে ৫ম উপজেলা নির্বাচন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এবিষয়ে সতর্ক করেন।

মাহবুব তালুকদার বলেন, অবৈধ উপায়ে, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে কেউ যাতে পেছনের দরজা দিয়ে উপজেলা পরিষদে ঢুকে না পড়েন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তথা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা তা নিশ্চিত করবেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যাত্রা শুরু হয়েছিল। একটি জাতীয় সংসদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পরিপালন পরিপূর্ণ রূপ লাভ করে না। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা সকল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন অনিবার্য হয়ে ওঠে।

মাহবুব তালুকদার বলেন, এজন্য উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও গণতান্ত্রিক কাঠামোতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি উপজেলাতে জনহিতকর কাজ, সুশাসন ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য ভোটের মাধ্যমে জনগণ যাদের বাছাই করবে, তারা সুষ্ঠু ও আইনানুগ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন- এটা জনপ্রত্যাশা।

তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, উপজেলা পরিষদ পরিপূর্ণভাবে স্বায়ত্তশাসিত হওয়া প্রয়োজন। এখানে অন্য কারো খবরদারি বা নিয়ন্ত্রণ থাকার কথা নয়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, উপজেলা পরিষদ জেলা পরিষদের অধীনস্থ নয়। কথাটা এজন্য বলছি যে, উপজেলা নির্বাচনের গুরুত্ব আমাদের সম্যক উপলব্ধি করার প্রয়োজন রয়েছে।”

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমরা সবাই বলে থাকি- নির্বাচন আইনানুগ হতে হবে। কথাটার কিছু ব্যাখ্যা প্রয়োজন। নির্বাচন আইনানুগ হওয়ার অর্থ সবার সম-অধিকার এবং সবার প্রতি সম-আচরণ নিশ্চিত করা। এজন্য আমাদের কঠোর নিরপেক্ষতা অবলম্বন করতে হবে।”

নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “কোনো প্রকার ভয়ভীতি, লোভ বা প্রলোভনের কাছে আপনারা নতিস্বীকার করবেন না। নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে সাহসিকতার সঙ্গে আপনারা দায়িত্ব পালন করুন।”

এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, ব্রি. জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত