সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ঢিলেঢালা মানববন্ধনে সরকারের তীব্র সমালোচনায় ঐক্যফ্রন্ট

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭:৫০ পিএম

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম কোনো রাজপথের কর্মসূচি ঢিলেঢালাভাবে পালন করল সরকারবিরোধী প্রধান জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বুধবার বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পূর্বঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে ছিলেন না শীর্ষ নেতারা। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল কম।

মানববন্ধনে শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে।

তাদের অনুপস্থিতির কারণে ব্যাখ্যা করে ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডি সভাপতি আ স  ম আব্দুর রব বলেন, ড. কামাল হোসেনের পায়ের ব্যথা বেড়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন।

তিনি আরো জানান, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের কারণে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী কর্মসূচিতে আসতে পারেননি।

এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ অংশ নেননি মানববন্ধনে।

মানববন্ধনে দেওয়া বক্তব্যে ফ্রন্টের নেতারা বলেছেন, ২৯ ডিসেম্বর রাতে সরকার জনগণের ভোটাধিকার লুণ্ঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। ৩০ ডিসেম্বর বিনা জানাজায় গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া হয়েছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। এ সময় নেতাকর্মীরা কারাবন্দী খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে আ স  ম আব্দুর রব বলেছেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি ফ্রন্টের যে গণশুনানির হবে তার মাধ্যমে নির্বাচনে অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হবে।

তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে দলের অধীনে নেয়া হয়েছে। এখন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে যারা ভোট ডাকাতি করেছে। আগামী দিনে আর প্রতিবাদ নয়, এখন থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।

সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, ৫ জানুয়ারি ২০১৪ তে এক কান কাটা গিয়েছিল। এবার ৩০ ডিসেম্বর বাকি কানটাও কেটে গেছে। ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচারকে ছাড়িয়ে যাওয়া সরকারের নোবেল পাওয়া উচিত।

মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, এবারের নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না।

মানববন্ধনে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে ও গণফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশতাক আহমেদ ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদের পরিচালনায় মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সেলিমা রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কাজী আবুল বাশার, জেএসডির আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের জগলুল হায়দার আফ্রিক, রফিকুল ইসলাম পথিক, নাগরিক ঐক্যের শহীদুল্লাহ কায়সার, মমিনুল ইসলাম, জনদলের এটিএম গোলাম মওলা চৌধুরী প্রমুখ।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত