রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

রবীন্দ্রনাথের কবিতার লাইন দিয়ে কৃতজ্ঞতা সুবর্ণা মুস্তাফার

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:১১ পিএম

একুশে পদকের জন্য ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। পাশে থাকার জন্য পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা থেকে উদ্ধৃত করেন ‘গ্রহণ করেছ যত, ঋণী তত করেছ আমায়।’

শিল্পকলা ও অভিনয়ে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ তারকাকে একুশ পদক দেওয়া হচ্ছে।

ফেসবুকে বৃহস্পতিবার দুপুরে সুবর্ণা লেখেন, “একটি রাষ্ট্রীয় সম্মান একটি স্বীকৃতি। আমার জন্য অবশ্যই এটি অনেক বড় প্রাপ্তি। আমি ধন্যবাদ জানাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে আমাকে একুশে পদক দেবার জন্য।অভিনন্দন জানাই এবারের সকল একুশে পদক প্রাপ্তদের।

গতকাল থেকে বন্ধু, পরিচিত, অপরিচিত, সকলের শুভকামনা ও ভালোবাসায় সিক্ত কথামালা আমাকে আপ্লুত করেছে, করেছে চির ঋণী।

যে দুজন মানুষ আমাকে সম্পূর্ণ করে, যারা সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন, বোবা, আম্মা, আমার পাশে নেই, তবে সাথে আছেন সব সময়। আমার ভাই সুমিত, আমি জানি তার কাছে এই মুহূর্ত অনেক আবেগের, অনেক ভালো লাগার।

আমি আমার এত বছরের সকল সহকর্মী, লেখক, নির্মাতা, সকল কলাকুশলীদেরকে জানাই কৃতজ্ঞতা। অভিনয় একক শিল্প নয়। এদের সবার উপস্থিতি আজকের এই স্বীকৃতির পেছনে আছে।

সারা গুলশানসহ সকল বন্ধুদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ সৌদকে আমার সকল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহ দেবার জন্য। ধন্যবাদ মাকে, যিনি আমাকে সৌদের স্ত্রী নয়, মেয়ের ভালোবাসা দেন।

সবচাইতে বড় ধন্যবাদ আমার দর্শক শ্রোতাদের। এত বছর যারা আমাকে ভালোবেসেছেন, গ্রহণ করেছেন, আমার কাজ এবং আমাকে। তাদের বলতে চাই ‘গ্রহণ করেছ যত, ঋণী তত করেছ আমায়।’

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা অফুরান সকলের জন্য।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন।

এবার যারা একুশে পদক পাচ্ছেন

অধ্যাপক হালিমা খাতুন (ভাষা আন্দোলন, মরণোত্তর), অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু (ভাষা আন্দোলন), সুবীর নন্দী (শিল্পকলা, সংগীত), আজম খান (শিল্পকলা, সংগীত, মরণোত্তর), খায়রুল আনাম শাকিল (শিল্পকলা, সংগীত), লাকী ইনাম (শিল্পকলা, অভিনয়), সুবর্ণা মুস্তাফা (শিল্পকলা, অভিনয়), লিয়াকত আলী লাকী (শিল্পকলা, অভিনয়), সাইদা খানম (শিল্পকলা, আলোকচিত্র), জামাল উদ্দিন আহমেদ (শিল্পকলা, চারুকলা), ক্ষীতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য (মুক্তিযুদ্ধ), ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ (গবেষণা), ড. মাহবুবুল হক (গবেষণা), ড. প্রণব কুমার বড়ুয়া (শিক্ষা), রিজিয়া রহমান (ভাষা ও সাহিত্য), ইমদাদুল হক মিলন (ভাষা ও সাহিত্য), অসীম সাহা (ভাষা ও সাহিত্য), আনোয়ারা সৈয়দ হক (ভাষা ও সাহিত্য), মইনুল আহসান সাবের (ভাষা ও সাহিত্য) ও হরিশংকর জলদাস (ভাষা ও সাহিত্য)।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত