পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৭ সালে ইসলামি আন্দোলনে সেনাবাহিনীর ভূমিকার সমালোচনা করে এই নির্দেশ দেয় আদালত।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী বলে বিবেচনা করা হয়। এমন একটি বাহিনীকে আদালতের এমন নির্দেশ দেশটির ইতিহাসে বেশ বিরল ঘটনা।
৯৭ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ পাকিস্তানে ২০১৭ সালে তথাকথিত ‘ফয়জাবাদ আন্দোলন’ শুরু হয়। ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দেশটির আইনমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন রাজধানী অচল করে দেয়। তখন সেনাবাহিনী এই আন্দোলনে মধ্যস্থতা করে।
আন্দোলনকারীদের থামাতে পুলিশ মারমুখী অবস্থান নিলে ওই সময় সাতজন নিহত হন। আহত হন আরও ২০০ জন।
সেনাবাহিনীর সমালোচনা শুরু হয় একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একজন সিনিয়র কর্মকর্তা এক আন্দোলনকারীকে অর্থ দিচ্ছেন।
সেই আন্দোলন থামার পর পাকিস্তানের রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসে। সেনাবাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতায় আসে কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইমরান খানের দল।
