মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বোয়িং-৭৪৭ কি সর্বকালের সেরা বিমান?

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:২৪ পিএম

আধুনিক পৃথিবীতে বিভিন্ন কোম্পানির বিস্ময়কর সব উড়োজাহাজ চলাচল করতে দেখা যায়। তার মধ্যে কোনটি সেরা, তা নিয়ে হরেক রকম আলোচনা আছে। অবাক করার বিষয় হল যে বিমানটিকে এ এযাবৎকালের সেরা ব্যবসায়িক বিমান বলা হয়, সেটি ৫০ বছরের পুরোনো! পৃথিবীজুড়ে তাকে ডাকা হয় ‘আকাশের রানি’ বলে।

বোয়িং-৭৪৭। ১০ ফেব্রুয়ারি ‘শেষযাত্রা’য় যাবে এই উড়োজাহাজটি। তবে আকাশ পথে নয়। সড়ক পথে প্রায় ৮ মাইল ভ্রমণ করে একটি হোটেলে পৌঁছাবে। বিমানটিকে ‘কোরেনডন ভিলেজ হোটেল’ নামে একটি সংস্থা কিনে নিয়েছে। তারাই এটিকে সংরক্ষণ করবে দর্শকদের জন্য। বিমানের ভেতরে উড়ান-ইতিহাস সংক্রান্ত প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখা হবে।

মার্কিন বিমান নির্মাণকারী সংস্থা বোয়িংয়ের সব থেকে পুরোনো এই বিমানটি ৫০ বছর আগে উত্তর সিয়াটলের পিয়াইন ফিল্ড থেকে প্রথম আকাশে ওড়ে। উত্তর-পশ্চিম প্যাসিফিকে প্রায় ৮৫ মিনিট আকাশে ছিল।

তখন পর্যন্ত উড়োজাহাজ বলতে মানুষ সরু আকৃতিকে বুঝত। কিন্তু-৭৪৭ সেই ধারণা পাল্টে দেয় তার বিশাল আকৃতি নিয়ে হাজির হয়ে।

গতির দিক থেকে এই বিমানটিকে আজ অবধি কোনো বিমান ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। গতি অনুযায়ী শব্দ পরিমিত। যাত্রীদের এতটুকু অসুবিধা হয় না। এটি ঘণ্টায় ৬৫০ মাইল বেগে উড়তে পারে।

বাংলাদেশ সম্প্রতি এই কোম্পানির চারটি বিমান কিনেছে। যাদেরকে বলা হয় ড্রিমলাইনার। এর মধ্যে প্রথম সর্বাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে ২০১৮ সালের আগস্টে। দ্বিতীয়টি আসে নভেম্বরে। বাকি দুটি ড্রিমলাইনার চলে আসবে ২০১৯ সালের নভেম্বরে।

বাংলাদেশের বিমানগুলোতে আড়াইশর কিছু বেশি যাত্রী একবারে উড়তে পারেন। কিন্তু ১৯৯১ সালে ইআই এআই বোয়িং ৭৪৭-৪০০ মডেলের বিমান একবারে ১,০৮৮ জন যাত্রী বহন করে রেকর্ড গড়েছিল।  ঐতিহাসিক ওই ফ্লাইটে ইথিওপিয়া থেকে ইহুদিদের উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন ১৪ হাজার মানুষকে এভাবে সাহায্য করেছিল বিমানটি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত