দলে নেই আক্রমণভাগের অন্যতম দুই খেলোয়াড় নেইমার ও এদিনসন কাভানি। তাদের ছাড়াই দারুণ ছন্দে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে পিএসজি। প্রেসনেল কিমম্পেম্বে ও কিলিয়ান এমবাপের গোলে ফ্রান্সের প্রথম ক্লাব হিসেবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে জয়োল্লাসে মেতেছে তারা।
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারায় পিএসজি। প্রথমার্ধে তেমন সুবিধা করতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ পারফরম্যান্স দেখায় টমাস টুখেলের দল। সাত মিনিটের ব্যবধানে একটি করে গোল করেন দুই ফরাসি কিমম্পেম্বে ও এমবাপে। গোল দুটিতেই অবদান আর্জেন্টাইন উইঙ্গার আনহেল দি মারিয়ার।
চোটের কারণে আগেই থেকে ম্যাচটিতে ছিলেন না নেইমার ও কাভানি। তাদেরকে ছাড়া সব ধরনের প্রতিযোগিতায় গত এগারো ম্যাচ ধরে অপরাজিত থাকা ইউনাইটেডের মুখোমুখি হওয়াটা বড় চ্যালেঞ্জ বলেছিলেন পিএসজি কোচ টুখেল। দারুণ জয়ে সেই চ্যালেঞ্জ নিজেদের করে নিল তার দল।
প্রথমার্ধে দ্যুতি ছড়াতে পারেনি কোনো দল। খেলা ছিল অগোছালো, যেন ফাউলের মহড়া। এই সময়ে হলুদ কার্ড পান দুই দলের আটজন খেলোয়াড়। এর মধ্যে ইউনাইটেড খেলোয়াড়ই পাঁচজন।
বিরতির পর গোছানো খেলায় এগিয়ে যেতে খুব বেশি সময় নেয়নি পিএসজি। ৫৩তম মিনিটে দি মারিয়ার কর্নার কিকে গোলপোস্টের খুব কাছে বল বাঁ পায়ের টোকায় জাল খোঁজে নেন ডিফেন্ডার কিমম্পেম্বে।
ম্যাচ ঘণ্টার কাঁটায় পৌঁছাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাপে। ডি-বক্সে দি মারিয়ার ক্রসে ছোট ডি-বক্সের থেকে ডান পায়ের শটে জালে বল জড়ান ফরাসি এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শেষ দিকে ই্উনাইটেডের হতাশা আরো বাড়ান পল পগবা। দানি আলভেসকে অহেতুক ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন ফরাসি এই মিডফিল্ডার। আগামী ৬ মার্চ ফিরতি পর্বে প্যারিসে ফিরতি লেগে পল পগবাকে ছাড়াই খেলতে হবে ইউনাইটেডকে।
শেষ ষোলোর অপর ম্যাচে পোর্তোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রোমা। রোমার হয়ে গোল দুটি করেছেন ইতালিয়ান মিডফিল্ডার নিকোলো জানিয়োলো। পোর্তোর হয়ে একটি গোল শোধ করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড আদ্রিয়ান লোপেস।
