মাস্টারপ্ল্যান অনুসারে কর্ণফুলী রক্ষার নির্দেশ

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৬ এএম

কর্ণফুলী রক্ষায় মাস্টারপ্ল্যান অনুসারে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরি সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, কর্ণফুলী রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার। কর্ণফুলী রক্ষার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছিল। সেই মাস্টারপ্ল্যান তৈরির লক্ষ্যে আমরা বসব। দেশের অন্য সব নদী রক্ষায় যেভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম চলছে, সেভাবে আমাদের অভিযান চলবে। এরমধ্যে আরএস জরিপ অনুযায়ী কর্ণফুলীতে অবৈধ দখলদার চিহ্নিত করা হয়েছে। শিগগিরই কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে দ্বিতীয় দফায় অভিযান শুরু হবে।  এর আগে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করে জেলা প্রশাসন। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনায় পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তাহমিলুর রহমান মুক্ত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাঁচ দিনের অভিযানে নগরীর সদরঘাট জেটি এলাকা থেকে বারিকবিল্ডিং এলাকা পর্যন্ত কর্ণফুলীর উত্তরপাড়ের ২৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং ১০ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত