জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে অভিযান

শতকোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি বেহাতের প্রমাণ পেল দুদক

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:৩৪ এএম

রাজধানীর জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়েছে দুদক। চট্টগ্রামের ফিরোজ শাহ এস্টেটের ৩০৮ কাঠা জমি বেআইনিভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ পেয়ে দুদক টিম এই অভিযান চালায়। দুদকের উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রণব ভট্টাচার্য জানান, অভিযানে দেখা যায়, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রামস্থ ফিরোজ শাহ হাউজিং এস্টেটের জমি থেকে ৫ দশমিক ১৩ একর জমি গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নয়; এই মর্মে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ওম প্রকাশ নন্দী ছাড়পত্র দেন। যার ফলে এই জমি বেহাত করা হয়। নির্বাহী প্রকৌশলীর অনাপত্তিপত্র চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর পাঠানো হয়। অনাপত্তিপত্র পাওয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ওই জমির নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করে ও সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা পাওয়ার পর সহকারী কমিশনার ওই জমি ২৮ জন গ্রহীতার নামে নামজারি করেন। এতে ১০০ কোটি টাকার অধিক মূল্যবান এ সরকারি স¤পত্তি বেহাত হয়। দুদক টিম জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ে গিয়ে রেকর্ডপত্র পরীক্ষা ও পর্যালোচনা করে। সরকারি জমি বেহাত হওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ থেকে দুদকে নথিপত্র পাঠানো হবে মর্মে অঙ্গীকার করা হয়।অভিযান প্রসঙ্গে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান ও মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘সরকারি স¤পত্তি নিয়ে দুর্নীতির ঘটনা রোধে দুদক তৎপর আছে। এ ঘটনার ওপর দুদক শিগগিরই অনুসন্ধান শুরু করবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত