বাগেরহাটে মঈনুদ্দিন হত্যা দুই কারণ খুঁজে পেয়েছে পুলিশ

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:১৫ পিএম

রামপাল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খাজা মঈনুদ্দিন আখতারকে হত্যার পেছনে দুটি কারণ খুঁজে পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।এর মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ। প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে গতকাল শুক্রবার দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়।তবে গতকাল বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভরসাপুর বাজারে বোমা হামলায় নিহত হন খাজা মঈনুদ্দিন আখতার।খাজা মঈনুদ্দিন উজলকুড় ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গতকাল দুপুরে পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মঈনুদ্দিনকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ এবং জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা বোমা মেরে হত্যা করেছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।এসব কারণকে গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ শুরু করছে।’পুলিশ শিগগির এই হত্যায় জড়িতদের ধরতে পারবে এমন আশার কথাও শুনিয়েছেন তিনি।নিহতের স্ত্রী চম্পামালা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী রাজনীতিতে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। সব ধরনের বিরোধ থেকে তিনি নিজেকে দূরে রাখতেন। সামনে হজে যাওয়ার জন্য টাকাও জমা দিয়েছিলেন।’এদিকে সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মঈনুদ্দিনের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে সোনাতুনিয়া মাদ্রাসা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত