সরকারবিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গণশুনানির জন্য জায়গা বরাদ্দ পায়নি অভিযোগ তুলে যে কোনো মূল্যে তা আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি একাদশ সংসদ নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতি’র চিত্র তুলে ধরতে এ গণশুনানির কর্মসূচি দেয় বিএনপিপ্রধান এ জোট।
তবে রোববার তারা অভিযোগ করে আবেদন করলেও গণশুনানির জন্য জায়গা বরাদ্দ দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাজধানীর আরামবাগে গণফোরামের কার্যালয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি ও সমন্বয় কমিটি’র বৈঠক শেষে এ অভিযোগ জানান জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব।
তিনি বলেন, যত প্রতিবন্ধকতা আসুক আমরা গণশুনানি করব। সরকার যতই হল বন্ধ করুক ঘরে-বাইরে, যেখানে পারি আমরা করব।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি আমরা গণশুনানি করব বলে সরকার আগে থেকে সারা মাস সব হল বুকিং দিয়ে রেখেছে। আমাদের কোনো হল দেওয়া হচ্ছে না। সরকারের সব বাধা উপেক্ষা করে আমরা যেখানে জায়গা পাব সেখানেই গণশুনানি করব।
তিনি বলেন, আমরা আজ (রোববার) রাত থেকে আগামীকালের (সোমবার) মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের সব নির্বাচনী প্রতিনিধির কাছে চিঠি চলে যাবে। নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণ করেছে, ইতিমধ্যে ফ্রন্টের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, গণস্বাস্থ্য ট্রাস্টির সভাপতি ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য আব্দুস সালাম, প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, গণদল চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা চৌধুরী, হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, মোস্তাক আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, আজমেরী প্রধান ছন্দা, ঐক্যফ্রন্টের মিডিয়া উইংয়ের প্রধান লতিফুল বারী হামিম প্রমুখ।
জানা গেছে, গণশুনানির জন্য রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন, কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তন, গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চ অথবা জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনকে স্থান হিসেবে বিবেচনা করেছিল ঐক্যফ্রন্ট। পছন্দসই ভেন্যু না পেলে গণফোরাম অফিসের সামনে অথবা বিএনপির অফিসে গণশুনানি হতে পারে।
