আরিয়ানা খন্দকারের বয়স মাত্র ১২ বছর। এরই মধ্যে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার গল্পগ্রন্থ ‘অদৃশ্য ছায়া’। বইটিতে মোট ৮টি গল্প রয়েছে, বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ভাষাতেই। বইটি সম্পর্কে আরিয়ানা বলে, ‘ভাবনার জগৎ এবং স্বপ্ন দেখা থেকেই গল্পগুলো সাজিয়েছি। গল্পগুলোর মধ্যে আনন্দ, ভৌতিকতা, নৈতিক শিক্ষা, বন্ধুত্ব ইত্যাদি বিষয় উঠে এসেছে।’ আরিয়ানা ভবিষ্যতেও লেখালেখির সাথে জড়িত থাকতে চায়। তার ইচ্ছে প্রতি বছরই একটি করে বই বের করবে।
তরুণ কবি রিক্তা রিচির ‘বাতাসের বাঁশিতে মেঘের নূপুর’ কবিতার বইটি এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বই প্রকাশ নিয়ে তেমন মজার কোনো অনুভূতি নেই। তবে বই প্রকাশ নিয়ে যে ধরনের ঝামেলার মধ্যে পড়তে হয় তরুণদের আমার এরকম কোনো ঝামেলা হয়নি। সব মিলিয়ে নতুন বইয়ের ঘ্রাণের সাথে আমার বইটিও মেলায় আছে বলে আমি খুব আপ্লুত।’
বই লেখার পাশাপাশি রেহানা পুতুলের প্রিয় কাজ বই পড়া। লেখালেখির সাথে অনেক দিন থেকে যুক্ত থাকলেও এই প্রচারবিমুখ লেখিকা নিজেকে লেখক কম পাঠক বেশি মনে করেন। এ বছর তার প্রকাশিত নতুন বইটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সমাজে যা বহির্ভূত, গর্হিত, নিষিদ্ধ, তা পেতেই মানুষ কৌতূহলী ও আবেগি হয়ে ওঠে, এবং সেই নিষিদ্ধ সুখের জন্য মানুষের যত আয়োজন ও মহড়া চলতে থাকে। লোপ পেয়ে যায় তার নীতিবোধ। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে তার মাঝে তৈরি হয় মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব। ক্ষণিকের উপভোগ পেতে গিয়ে শেষে তারা কিছুই পায় না। ভোগের জন্য মহড়া, উপভোগের জন্য মহড়া, নিষিদ্ধ সুখের জন্য মহড়া, অন্যের জিনিস নিজের করে পাওয়ার জন্য মহড়া। এই বিষয়গুলোকে পটভূমি করে রোমান্টিক উপন্যাসটি পাঠকের ভালো লাগবে আশা করি।’
