পঞ্চগড়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে সদর উপজেলার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী একাধিক পরীক্ষার্থী।পঞ্চগড়ের পাঁচ উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে ৫৭ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে পঞ্চগড় সদর উপজেলায় নিয়োগ দেওয়া হবে ১৫ জন। সাড়ে চার হাজার টাকা মাসিক সম্মানীতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে এ সব শিক্ষক শিশু শিক্ষার্থীদের প্রাক-প্রাথমিক ও কোরআন শিক্ষা দেবেন। এ বছর মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। পঞ্চগড় সদর উপজেলায় নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইএনও) তত্ত্বাবধানে পাঁচ সদস্যের নিয়োগ কমিটি গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে। পরীক্ষায় ২৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয় এবং ১৫ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।
লিখিত ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মোকারম হোসেন ও কেয়ারটেকার নূর আলম প্রশ্নপত্র তৈরি, পরীক্ষা গ্রহণসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নামে ফল প্রকাশ করে মোটা অঙ্কের টাকার নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। প্রকাশিত ফলাফলে একই ইউনিয়নের ছয়জনকে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে। এ সব অনিয়মে নিয়োগ কমিটির আরেক সদস্য হাফেজ জয়নাল আবেদীন জড়িত। অভিযোগকারী কয়েকজন জানান, লিখিত ওই অভিযোগের পাশাপাশি তারা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছেন।ফিল্ড সুপারভাইজার মোকারম হোসেন বলেন, ‘প্রশ্নপত্র তৈরি এবং পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। আমরা শুধু পরীক্ষার হলে পরীক্ষা নিয়েছি এবং যথাযথ নিয়মে ফল প্রকাশ করেছি।’নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক ও সদর উপজেলার ইউএনও শাহিনা শবনম বলেন, শতভাগ নিয়মনীতি মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগ অসত্য।
