নিখোঁজ কন্যা শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৯, ০৮:৪৫ পিএম

নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর যশোরে আফরিন তিশা (৮) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিশা শহরের ধর্মতলা দি স্যালভেশন আর্মির অফিসের পাশের গাজীপাড়ার ইজিবাইক চালক তরিকুল ইসলামের মেয়ে।

তরিকুল ইসলাম ওই এলাকার ওমর আলীর বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তিশা কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ সেখানে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের পাঠিয়েছে। তিশাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের পিতা তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বড় মেয়ে তিশা রোববার বিকেলে বাড়িতে আরবি পড়ে খেলতে বের হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যার আগেই সে বাড়িতে ফিরে আসে। কিন্তু রোববার সে ফেরেনি। কোথাও তার খোঁজ মেলেনি।

তরিকুল ইসলাম আরো জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে তার বাড়ির পাশের হরসিতের ঘরের পেছনের একটি গর্ত থেকে এলাকার নারীরা মরদেহটি উদ্ধার করেন। গর্তটি হঠাৎ বন্ধ দেখে সৃষ্ট সন্দেহ থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।

ধর্মতলার এলাকার বাসিন্দা সাঈদ সরদার জানিয়েছেন, মরদেহের মুখে একটি কাপড় গুঁজে দেওয়া ছিল। দুই হাত পুরোনো লুঙ্গির টুকরো দিয়ে বাঁধা। বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল মরদেহটি। পাশে তার কালো রঙের একটি প্যান্ট পড়ে ছিল। বস্তার পাশে পড়ে ছিল নীল রং এর একটি কলম। তিশার এক জোড়া স্যান্ডেলও রয়েছে পাশে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

নিহতের বাড়ির মালিক ওমর আলীর স্ত্রী মাজেদা বেগম জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যার আগে থেকে তিশাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সোমবার সন্ধ্যার আগে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) সামসুদ্দোহা জানিয়েছেন, এলাকার লোকজন তিশা নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে। হাত হাত বাঁধা ছিল। লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সে ধর্ষণ হয়েছিল কি-না তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া জানা যাবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত