দুর্গাপুরের মেয়রসহ আ.লীগের ১১ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০১৯, ১০:৫৫ পিএম

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং ভোটের দিন নাশকতার পরিকল্পনার দায়ে রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেনসহ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে আটক করে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর ২টার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভা কার্যালয়ে বৈঠক করার সময় তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ ও জর্জ মিত্র চাকমা প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে কারাদ- দেন। সাজাপ্রাপ্তরা দুর্গাপুরের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মজিদের সমর্থক।

রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তারা একজন প্রার্থীর পক্ষে বৈঠক করছিল। সেই সঙ্গে তারা নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের পাঁচ দিনের কারাদ- দিয়েছে।’

আটক অন্যরা হলেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজহার আলী, ঝালুকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাহার আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মজনু, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি নুর হোসেন, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোলাইমান আলী, পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ, দৌলিয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পৌর মেয়র তোফাজ্জাল হোসেনের ছেলে মনিরুজ্জামান মনি, ভাগ্নে রবিউল ইসলাম রবিন ও আওয়ামী লীগ কর্মী সাকিল।

আজ (রবিবার) অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে দুর্গাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। তার বিপরীতে ভোটের মাঠে লড়ছেন একই দলের দুজন প্রার্থী। এরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ সরদার এবং উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কাদের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত