বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (ডাকসু) নিয়ে চলমান অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যে বৈঠক করেছেন উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান, প্রক্টর গোলাম রব্বানী ও ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর।
বৈঠকের পর উপাচার্য কার্যালয় থেকে বের হয়ে আসার সময় নুরকে হাস্যোজ্জ্বল দেখা গেছে। এ সময় তিনি কথা না বললেও দাঁড়িয়ে ছিলেন উপাচার্যের পেছনে। তার সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনের বেশ কয়েকজন নেতাও ছিলেন এ সময়।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা থেকে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনে এ বৈঠক হয়। তবে কী নিয়ে বৈঠক হয়েছে তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
বৈঠক শেষে উপাচার্য আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের আবারো ১১ মার্চের ডাকসু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এরপর নুর তার দলবলসহ ওই স্থান ত্যাগ করেন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
এদিকে ডাকসু নির্বাচন পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনশন করছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। রোকেয়া হলের সামনে বুধবার রাত থেকে পাঁচ শিক্ষার্থী আমরণ অনশনে বসেন চার দফা দাবিতে।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনশনে বসেন আট শিক্ষার্থী। এদের একজন অনিন্দ্য মন্ডল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান হয়।
অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন, মাঈনুদ্দিন, শোয়েব মাহমুদ, রবিউল ইসলাম, তাওহিদ তানজিম ও মিম আরাফাত মানব, মাহমুদ তাহা এবং রাফিয়া তামান্না।
জনবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, সদ্য নির্বাচিত ভিপি’র আচরণের কারণে আন্দোলন দানা বাঁধছে না। প্রথম দিন থেকে তিনি বিভ্রান্তিকর বক্তব্য রাখছেন।
