রাজশাহী শহরের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে বেশকিছু ১০ তলা ভবন। দিনকে দিন বাড়ছে বহুতল ভবনের সংখ্যা। কিন্তু এসব ভবনের বেশিরভাগেই অগ্নিনির্বাপণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আবার রাজশাহী দমকল বিভাগের কাছে যে সরঞ্জাম রয়েছে, তাতে চার-পাঁচতলা উঁচু ভবন পর্যন্ত আগুন নেভানো সম্ভব। এ অবস্থায় বহুতল ভবনগুলো রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে।
মানুষের নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রতিটি ভবনে অগ্নিনিরাপত্তার বিভিন্ন বিধিমালা নির্ধারণ করে দিলেও তার পুরোপুরি প্রয়োগ নেই ভবনগুলোতে। অগ্নিনির্বাপণের নিজস্ব ব্যবস্থা, ইমার্জেন্সি এক্সিট সিঁড়ি, ৩০ ফুট রাস্তা, পানির আন্ডারগ্রাউন্ড, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ সুবিধাসহ বেশিরভাগ বহুতল ভবনে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। ফলে ভূমিকম্প কিংবা বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে এসব ভবনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে অনেক বেশি। এদিকে রাজশাহী দমকল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উঁচু দালানে আটকে পড়া লোকজন উদ্ধারকাজের জন্য টার্নটেবল লেডার, সেøারকেল লেডারের মতো অতিগুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম নেই রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজশাহীতে চার-পাঁচতলার বেশি উঁচু ভবনে আগুন নেভানো বা উদ্ধারকাজ চালানোর সরঞ্জাম নেই। এ কারণে রাজশাহীর বহুতল ভবনগুলোতে অনাকাক্সিক্ষত এমন কোনো ঘটনা ঘটলে অনেকটাই অসহায়ত্ব প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাজশাহী সদর দপ্তরের সহকারী পরিচালক আহসানুল কবির জানান, রাজশাহীতে ভবন তৈরির আগে যে অনুমতির নিয়ম আছে সেটা মোটামুটিভাবে চালু। তবে বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ভবনের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং কিছু যন্ত্রপাতি রাখতে হয়। এগুলো অনেক সময় বাড়ির মালিকরা পুরোপুরি মানছেন না।
