পানি সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করা না হলে রোগজীবাণু জন্মাতে পারে। ফলে কলেরা, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগ হতে পারে। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ দূষিত পানি পান বা দূষিত পানি দিয়ে কোনো কিছু করা।
-দাঁত ব্রাশ করার পর বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে। আইস কিউব, খাবার ও বাসনপত্র ধোয়া অথবা রান্না করার পানির উৎস নিরাপদ হতে হবে।
পানি পান করার আগে ফুটিয়ে বা উপযুক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে পানি পরিশোধন করে নেওয়া। বিভিন্ন কেমিক্যাল যেমন : ক্লোরিন অথবা পানি পরিশোধক ট্যাবলেট ব্যবহার করার সময় প্রস্তুতকারী সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করা।
-মানসম্পন্ন পানির ফিল্টার ব্যবহার করুন। পানি পরিশোধনের কেমিক্যাল না থাকলে ঘরে ব্যবহারযোগ্য ব্লিচ ব্যবহার করুন। এক লিটার পানিতে দুই ফোঁটা (্এক গ্যালন পানি আট ফোঁটা) ব্লিচ ভালোভাবে মিশিয়ে ৩০ মিনিট রেখে এরপর ব্যবহার করুন।
-পরিশোধিত পানি সব সময় পরিষ্কার পাত্রে ঢেকে রাখুন। পানি পান করার গ্লাস বা বোতল পরিষ্কার রাখুন। পরিষ্কার হাতে পানির পাত্র ব্যবহার করুন। পানি ঢালা বা তোলার সময় হাত ও আঙুল পানির মধ্যে ডোবাবেন না।
-খাবার থেকেও ফুড পয়জনিং হয়। এর কারণও কিন্তু পানি। খাবার তৈরির আগে হাত, বঁটি, ছুরি, কাটিং বোর্ড, কাটার যন্ত্রপাতি, বাসনপত্র এবং রান্নাঘরের উপরিভাগের মেঝে গরম পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
-খাবার দূষিত হয় এমন কোনো জায়গায় অথবা পাত্রে খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে যেখানে আগে কাঁচা ডিম, মাংস অথবা মাছ রাখা হয়েছিল।
-সঠিক তাপমাত্রায় রান্না না করা খাবার সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এসব খাবার দীর্ঘক্ষণ বাইরে না রেখে ফ্রিজে রাখুন।
-ঘরের তাপমাত্রা যদি ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর থাকে, তাহলে সেখানে সহজেই খাবার নষ্ট হয়ে যায়। এসব জায়গায় খাবার এক বা দুই ঘণ্টার বেশি সময় থাকলে, সেটা ফেলে দিন।
