প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় নড়াইল সদর উপজেলার কোমখালী গ্রামে প্রেমিকের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রী, তার দাদি ও এক শিশু জখম হয়েছে। আহতদের যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো স্কুলছাত্রী (১১), তার দাদি জাহানারা বেগম (৫০) ও প্রতিবেশী হেনা (১০)। এ ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হবখালী ইউনিয়নের কোমখালী গ্রামের সাইদ বিশ্বাসের ছেলে রকিবুল ইসলাম মিঠু নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজে অনার্স ১ম বর্ষে পড়াশোনা করেন। ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন মিঠু। একপর্যায়ে মিঠু মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। মেয়েটি তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিঠু তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে ছাত্রীটিকে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় বাধার মুখে পড়লে তারা ছাত্রীর প্রতিবেশী মনিরুলের মেয়ে (৮) হেনার গলায় ও বুকে ছুরিকাঘাত করেন। এ ছাড়া তাদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে জখম হয় ওই ছাত্রী ও তার দাদি জাহানারা বেগম। তাদের চিৎকারে আশপাশের বাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে মিঠু পালিয়ে যায়। তাদের প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাশেদ আহম্মেদ জানান, অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
নড়াইল সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই মামলা হয়েছে। আসামি ধরতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
