সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোর্শেদা আক্তার মিয়াজির পদ্মফুল মার্কার প্রচার মাইকে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউপির বক্তারমুন্সি বাজারে ঘটে। হামলার ঘটনায় প্রার্থী রাতে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের অভিযুক্ত করে সোনাগাজী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ঘটনার সময় সিএনজি যোগে পদ্মফুলের প্রচার মাইক বক্তারমুন্সি বাজারের মাঝখানে পৌঁছালে এলাকার কয়েক জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী গাড়ির গতিরোধ করে হামলা চালায়। এ সময় তারা সিএনজি ড্রাইভার ও প্রচার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিকে কিলঘুষি মেরে মাইক ছিনিয়ে নেয়। সন্ত্রাসীরা এলাকায় আওয়ামী লীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
খবর পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা মাইক রেখে পালিয়ে যায়।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোর্শেদা আক্তার মিয়াজি জানান, হামলার ঘটনার সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জোবেদা নাহার মিলির সমর্থকেরা জড়িত। তারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারে বাঁধা দিচ্ছে এবং নির্বাচন কার্যক্রম থেকে সরে যেতে তার সমর্থকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে।
তিনি আরো জানান, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে প্রভাবশালী মহল তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।
প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জোবেদা নাহার মিলি জানান, হামলার ঘটনার সঙ্গে তিনি এবং তার কোন সমর্থক জড়িত নয়।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায়। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কোন অনিয়মকে মেনে নেওয়া হবে না।
সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহির উদ্দিন মাহমুদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হবে। দুটি পদের বিপরীতে শাখাওয়াতুল হক বিটু, সৈয়দ দ্বিন মোহাম্মদ, জোবেদা নাহার মিলি, মোর্শেদা আক্তার মিয়াজি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তারা সবাই আওয়ামী লীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন দল অংশগ্রহণ করছে না।
