বাঙালি বংশোদ্ভূত রানি মুখার্জিকে বলা হয় বলিউডের ‘কুইন অব হার্টস’। দেড় দশকের সিনেমা ক্যারিয়ারে তার সাফল্যের নজির অসংখ্য। প্রথম সিনেমা ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ মুক্তি পায় ১৯৯৬ সালে। এরপর ধাপে ধাপে কঠোর সাধনার মাধ্যমে অর্জন করেছেন শীর্ষ আসন।
এ নায়িকার ৪১তম জন্মদিন শুক্রবার। এ উপলক্ষে ফিল্মফেয়ার অবলম্বনে জেনে নিন ছয় স্মরণীয় অভিনয়ের কথা-
হিচকি (২০১৮): মাতৃত্বের বিরতির পর এ সিনেমা দিয়ে বলিউডে কামব্যাক হয় রানির। সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পরিচালনায় ট্যুরেট সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীর চরিত্রে অভিনয় করেন, যে কিনা ভীষণ প্রতিকূল পেশা শিক্ষকতাকে বেছে নেয়। সিনেমাটি বুঝিয়ে দেয় চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে রানি কতটা সাবলীল।
সাথিয়া (২০০২): মনি রত্নমের এ সিনেমা রানির ক্যারিয়ারে অন্যতম বড় হিট। সুহানি চরিত্রের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সমালোচকদের বিচারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হন তিনি। এ ছবির গানগুলো আজও জনপ্রিয়।
হাম তুম (২০০৮): খুবই স্পর্শকাতর ও বলিষ্ঠ চরিত্রে দেখা যায় রানি মুখার্জিকে। যেখানে রয়েছে আবেগঘন অনেক দৃশ্য। সাইফ আলী খানের সঙ্গে নায়িকার পর্দা রসায়ন ছিল অসাধারণ। রানি জিতে নেন ফিল্মফেয়ারের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার।
ব্ল্যাক (২০০৫): হিন্দি ছবির দর্শকেরা ‘ব্ল্যাক’ সিনেমার মিচেল চরিত্রটিকে সহজে ভুলবেন না। শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীর চরিত্রে সবার হৃদয় ছুঁয়ে গেছেন রানি। বলা হয়ে থাকে, তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন চরিত্র মিচেল। ছবিটির কারণে রানি জিতেছেন অসংখ্য পুরস্কার।
মার্দানি (২০১৪): বলা যায় জনপ্রিয় ‘সিংহাম’ সিনেমার নারী সংস্করণ এটি। তবে রোহিত শেঠির কমিক রিলিফের তুলনায় আরও শক্তিশালী এ সিনেমা। মানব পাচারের বিরুদ্ধে বার্তাও পরিষ্কার। এ ছবির সিক্যুয়েলের ঘোষণাও এসেছে সম্প্রতি।
নো ওয়ান কিলড জেসিকা (২০১১): আলোচিত জেসিকা লাল হত্যা মামলার সত্য কাহিনি নিয়ে নির্মিত হয়েছে এ সিনেমা। এতে রানির চরিত্র সাংবাদিকের, যিনি ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করে যান। জেসিকার বোনের চরিত্রে ছিলেন আরেক মেধাবী অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। এ ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জেতেন রানি।
