দিনাজপুর সদর ও বীরগঞ্জ উপজেলায় রোববার পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন চালক নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- পিক-আপ চালক মিন্টু চন্দ্র (৩২) ও নসিমন চালক গোলাম মোস্তফা (৫১)।
সদর উপজেলার নশিপুর জামতলি এলাকায় দুপুর ১২ টার দিকে ২ ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে গোলাম মোস্তফা নামে এক পিক-আপ চালক নিহত হন। নিহত গোলাম মোস্তফা জয়পুরহাট সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দীনের ছেলে।
এই ঘটনায় অপর ট্রাকের চালকসহ ৩ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, বেলাল হোসেন (৫২), স্বাধীন (২৮) ও শহিদুল ইসলাম (৪৮)।
কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেদওয়ানুর রহিম জানান, রংপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক জামতলিতে পৌঁছানোর পর সামনের চাকা বাস্ট হয়ে মহাসড়কের ওপর বিকল হয়ে যায়। ট্রাকের চালক ও হেলপাররা চাকাটি পরিবর্তনের কাজ করছিল। এ সময় দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি মাছের পিক-আপ বিকল ট্রাকটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে পিক-আপের চালক ও হেলপাররা ছিটকে রাস্তার ওপরে পড়ে যায়। খবর পেয়ে দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। কর্তবরত চিকিৎসক পিক-আপের চালক গোলাম মোস্তফাকে মৃত ঘোষণা করে।
এদিকে একই দিনে বেলা ১১ টার দিকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার গুলাপবাগ বাজার থেকে বীরগঞ্জ শহরে আসার পথে নিজের নছিমন (টেম্পো) উল্টে চালক মিন্টু চন্দ্র (৩২) নিহত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিন্টু চন্দ্র নছিমন চালিয়ে বীরগঞ্জ আসছিলেন। গুলাপবাগ বাজার থেকে বীরগঞ্জ আসার পথে মাতানারী এলাকায় নছিমনের টায়ার বাষ্ট হয়। বাষ্ট হওয়ার পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক মিন্টু তার নিজের নছিমনের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা মিন্টুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত নছিমন চালক মিন্টু চন্দ্র বীরগঞ্জ উপজেলার ঢাকেশ্বরী আরাজী চৌধুরী পাড়ার নবানু চন্দ্র এর ছেলে।
বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাকিলা পারভীন বিষয়টি নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
