উপজেলা নির্বাচনে রোববার অনুষ্ঠিত তৃতীয় ধাপের ভোটে রামগঞ্জ উপজেলায় ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে প্রকাশ্যে সিল মারতে দেখা গেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের।
এ সময় সাংবাদিক দেখেও জালভোটে বিরত হননি আওয়ামী লীগের নেতারা।
তবে জাল ভোট দেওয়ার অপরাধে উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের দেহলা ভোটকেন্দ্র থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছয়জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
দুপুর ১টায় নোয়াগাঁও বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মমিন পাটোয়ারী ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন রানার উপস্থিতিতে দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
দুপুর ২টায় ভাটরা ইউনিয়নের পাচঁরুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আজাদ শেখ এবং ওয়ার্ড মেম্বার ইসমাইল হোসেন দুলালের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী কেন্দ্র দখল করে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তুহিন মন্ডলের হাত থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারেন।
এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা আজাদ শেখ সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখেও প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মারা থামাননি।
সকাল ৯টা থেকে করপাড়া ইউপির পূর্ব করপাড়া, মধ্য করপাড়া, আন্দিরপাড়, গাজীপুর, বদরপুর কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক জাল ভোট দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভোটার।
দুপুর ১টায় পৌর জগতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে সিল মারার অভিযোগে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার প্রায় এক ঘন্টা উক্ত কেন্দ্রের ভোট বন্ধ রাখেন।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সিরাজুল ইসলাম মজুমদার বলেন, প্রিসাইডিং অফিসার থেকে ব্যালট পেপার বই নিয়ে সিল মারার বিষয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
