হলে শিক্ষার্থীদের সংযুক্তি থাকলেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) উদ্বোধনের পর প্রায় চার বছরেও চালু হচ্ছিল না ছাত্রীদের জন্য নির্মিত জননেত্রী শেখ হাসিনা আবাসিক হলটি। সম্প্রতি কাজ শেষ হওয়ায় হলটি চালুর ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।
আগামী সপ্তাহে হলটির আসন বরাদ্দের ফরম দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কে. এম. নুর আহমদ।
এর আগে ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, ১৫ কোটি ৭৫ লাখ দুই হাজার টাকা ব্যয়ে ছাত্রীদের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্মিত হয় ৯৮ হাজার ৫০০ বর্গফুটের চারতলা বিশিষ্ট জননেত্রী শেখ হাসিনা হল। হলটিতে তখন ছিল ৫০০ আসনের ব্যবস্থা।
তবে হলটিতে আসন বরাদ্দ না দিয়ে ফের ২০১৭ সালের মে থেকে এর ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দ্বিতীয় দফার কাজ শেষে বর্তমানে ছয়তলা হলটিতে আসন সুবিধা পাবে মোট ৭৫০ ছাত্রী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের বর্তমান মোট প্রায় আয়তন ১২ হাজার ৭০০ বর্গমিটার। দ্বিতীয় দফার কাজসহ মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৪২ কোটি ২৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। হলটিতে ছাত্রীদের জন্য থাকছে বিউটি পারলার ও সুইমিংপুল। থাকছে দু’টি লিফট, ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা।
পৃথক রান্নাঘর ছাড়াও ক্যানটিন, ডাইনিং, হল ইউনিয়ন রুম, লন্ড্রি, দোকান, পাঠাগার, প্রার্থনা কক্ষ, কমন রুম, টিভি রুম, ওয়েটিং রুম, স্টোর রুম, প্রভোস্ট কক্ষ, আবাসিক শিক্ষকদের কক্ষ, হল অফিস রয়েছে এ হলে।
হলের প্রভোস্ট ও আবাসিক শিক্ষকদের জন্য চার কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ৫তলা বিশিষ্ট কোয়ার্টার।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে. এম. নুর আহমদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, কিছু কাজ বাকি থাকায় হলটিতে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। বুধবার কাজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী দপ্তর আমাদের কাছে হলটি হস্তান্তর করেছে। আগামী সপ্তাহে হলটির আসন বরাদ্দের ফরম দেওয়া হবে।
