শেকৃবির অধিকাংশ ভবনে নেই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ০২:০১ এএম

অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেই রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি)। দুই মাস আগে একটি আবাসিক হলে কয়েক দফা আগুন লাগলেও এ বিষয়ে তেমন ব্যবস্থা লক্ষ করা যায়নি। কয়েকটি ভবনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেও তা এখন ব্যবহার অনুপযোগী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, শেখ কামাল অনুষদ ভবন ও শিক্ষার্থীদের আবাসিক ৫টি হলের ৩টি, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ১২টি বহুতল ভবনের কোথাও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা হলে ৬টি, প্রশাসনিক ভবনে ২টি, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ৫টি, শিক্ষকদের আবাসিক শাপলা ও চামেলী ভবনে ১৫টি অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার থাকলেও অনেক আগেই মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া এখানকার বাসিন্দারা এগুলোর ব্যবহার জানেন না।

এক ছাত্রী জানান, দুই মাস আগে কৃষকরতœ শেখ হাসিনা হলে কয়েকবার অগ্নিকাণ্ড হয়। গ্যাস লাইন সৃষ্ট আগুনে তেমন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও আতঙ্কিত হয়ে আহত হয় কয়েকজন ছাত্রী। ঘটনার পর প্রশাসন গ্যাস লাইন বন্ধ রাখা ছাড়া কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এখানে অগ্নিনির্বাপক ৫টি সিলিন্ডার থাকলেও মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৪ সালে। বিশ্ববিদ্যালয়টির তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শিহাব আলী বলেন, ‘ক্যাম্পাসে কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় আমরা শঙ্কিত। ঢাকা শহরে যেভাবে অগ্নিকা- বাড়ছে তাতে যেকোনো সময় এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু প্রশাসন এ বিষয়ে এখনো উদাসীন।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, ‘অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা থাকলেও আমরা তার ব্যবহার জানি না। আগুন লাগলে আগে ইউটিউব দেখে আগুন নেভাতে হবে।’ শেকৃবির প্রধান প্রকৌশলী আজিজুর রহমান অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র না থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ভবনে দ্রুতই অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার কিনব। সামনের মাসে সিলিন্ডারগুলো ভবনে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত