ফরিদপুরে আড়াই বছরের এক শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফরিদপুর সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাঁশঝাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
ওই শিশুর পরিবার এবং এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে ওই শিশুটি একটি বিদ্যালয়ের মাঠে খেলা করছিল। ওই সময় একই গ্রামের মিন্টু শেখ (১৯) নামে এক তরুণ শিশুটিতে ফুসলিয়ে স্কুলের পাশে একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এলে মিন্টু পালিয়ে যায়।
মিন্টু পেশায় একজন ইজিবাইক চালক।
মেডিকেল হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় হাফিজুর রহমান জানান, শিশুটিকে আহত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে দেখার পর তাকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অম্বিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চৌধুরী বারী বলেন, এ ব্যাপারে মিন্টুর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওই শিশুটির পরিবারের সদস্যদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাকে কোনো ভাবেই আমরা ছাড় দেব না।
ওই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকার একটি মহল মিন্টুকে পাগল বলে প্রচার করে শিশু ধর্ষণের এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে। তারা জানান, মিন্টু পাগল নয়, সে একজন ইজিবাইক চালক এবং মানসিক ভাবে সুস্থ তবে সে বখাটে প্রকৃতির ছেলে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলে, এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। ফমেকের ওসিসি কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের জানালেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
