পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের অরমারা এলাকায় মাক্রান কোস্টাল হাইওয়েতে বাস থেকে কমপক্ষে ১৪ যাত্রীকে জোরপূর্বক নামিয়ে গুলিতে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার রাতের এই ঘটনায় আততায়ীদের পরিচয় মেলেনি।
দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন বেলুচিস্তানের পুলিশের ইন্সপেক্টর (আইজিপি) জেনারেল মহসিন হাসান বাটের বরাত দিয়ে জানায়, ১৫-২০ জন ছদ্ম পোশাকের অজ্ঞাত অস্ত্রধারী করাচি থেকে গাওয়াদায় চলাচলকারী পাঁচ বা ছয়টি বাস থামিয়ে ১৪ জনকে হত্যা করে।
বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রসচিব হায়দার আলী এএফপিকে জানান, অস্ত্রধারীরা সীমান্তরক্ষীদের পোশাক পরে ছিল।
আইজিপি জানায়, রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। বন্দুকধারীরা বাস থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে। সেখান থেকে ১৬ জনকে নামিয়ে আনা হয়।
নিহতদের একজন নৌবাহিনী এবং একজন কোস্টগার্ড সদস্য। অপর দুই ব্যক্তি কোনোভাবে পালাতে সক্ষম হন।
স্থানীয় কর্মকর্তা জেহাঙ্গীর দোস্তি জানান, ওই সময় ৩৬ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বাসে।
আইজিপি আরও জানান, এটি ‘পরিকল্পিত হত্যা’। তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে তবে তদন্তের স্বার্থে পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
পালিয়ে যাওয়া দুই যাত্রী নিকটস্থ চেকপোস্টে আশ্রয় নেন। তাদের বর্তমানে অরমারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানা যায়নি। কেউ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি এখনো।
বর্তমানে একাধিক আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়া লানগোভ এএফপিকে আরো বলেন, অপরাধীদের ধরতে পুরোমাত্রায় তদন্ত চলছে।
এর আগে ২০১৫ সালে বেলুচিস্তানে একই ধরনের ঘটনায় কমপক্ষে ১৯ বাসযাত্রী প্রাণ হারান।
